• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য: ২০৩০ সালে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

রিপোর্টার: / ১০৮ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য: ২০৩০ সালে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

২০৫০ সালের মধ্যে ৩০–৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের রূপরেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পাশাপাশি ২০৫০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপনকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে রুফটপ সোলার কার্যক্রম জোরদার, উপকূলীয় ও নিকটবর্তী অঞ্চলে বায়ু বিদ্যুৎ সম্ভাবনা যাচাই, বৃহৎ ইউটিলিটি স্কেল সৌর প্রকল্প বাস্তবায়ন, এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিষয়ে সার্ভে, সমীক্ষা ও পাইলট প্রকল্প চালু করা।

তিনি আরও জানান, জাতীয় এনার্জি স্টোরেজ রোডম্যাপ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, গ্রিড ফ্লেক্সিবিলিটি উন্নয়ন এবং জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জ্বালানি নিরীক্ষা কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে পূর্ববর্তী সরকারের নীতি নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতার কারণে বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় বেড়েছে। উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধানের কারণে চলতি অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বর্তমানে দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট (আমদানি ও অন-গ্রিড নবায়নযোগ্যসহ) হলেও এখনো নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

সরকার বর্জ্য, বায়ু এবং সমুদ্রস্রোতের মতো বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমও গ্রহণ করবে বলে বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ