• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ জুন শুরু, ঈদেও খোলা থাকবে আদালত: আইনমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের প্রস্তুতি, থাকছে কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধা কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, ধানকাটা শ্রমিকদের বাড়িতে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন প্রধান প্রেরণা: রিজভী ঈদযাত্রায় নৌপথে কড়া নিরাপত্তা, দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় কমলাপুরে যাত্রীদের ঢল, ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি চরমে

রংপুরে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩১৩ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২

রংপুর প্রতিনিধি:রংপুর নগরীর অভিজাত বিপণিবিতান জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের ভবন দ্রুত সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার  মার্কেট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা পরিষদ কার্যালয় ঘেরাও করেছেন।
এর অগে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের সামনে সমাবেশে বক্তব্য দেন সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বুলবুল। তিনি অভিযোগ করেন, অর্ধ শতাব্দী পুরনো জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৫০ বছরেও মার্কেটের দোকানসহ স্থাপনা সংস্কার করেনি জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে, বৈদ্যুতিক লাইনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে অনেক আগেই ব্যবহার অনুপোযোগী হয়ে গেছে। গত পাঁচ বছরে কমপক্ষে ১৮ বার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুন লেগেছে। এর আগে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষকে অনেকবার লিখিতভাবে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। অথচ মার্কেটের ৩শ’ ৩৩টি দোকানি প্রতিমাসে মাসিক ভাড়া ছাড়াও ২শ’ টাকা করে ভবন সংস্কারের জন্য দিয়ে আসছেন। কিন্তু কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে মার্কেটের সব দোকান বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে।
সমাবেশ শেষে ব্যবসায়ীরা মিছিল নিয়ে জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। সেখানে ব্যবসায়ীরা এক ঘণ্টা অবস্থান করলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, জেলা পরিষদ সচিব ও প্রকৌশলী অফিসে না আসায় ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল রাব্বির কাছে পাঁচ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ব্যবসায়ীরা জরুরি ভিত্তিতে তাদের দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে অবস্থান কর্মসূচিসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ