কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। কলাপাড়ায় এক অসাধু ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে শতাধিক গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন। উপজেলার ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিজানুর চৌকিদারের অনিয়ম, দুর্নিতী, স্বজনপ্রিতি, অর্থআত্মসাৎ সহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সাধারন মানুষ। তারা এর সুষ্ঠ তদন্তসহ বিচারের দাবি জানান।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ২০২৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ধানখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হন মিজান চৌকিদার। এরপর থেকে সাধারন জনগনের সাথে যোগাযোগ না রেখে, নিজের খেয়াল খুশিমত নাগরিক সেবা প্রদান করে আসছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্ধ আসা সরকারি সার, বীজ ও কীটনাশক প্রকৃত কৃষকদের না দিয়ে তার নিজস্ব লোকেদের মাঝে বিতরন করেন। এমনকি জেলে কার্ড, ভিজিডি, বয়স্ক ভাতা, টিউবয়েল, লেট্রিনসহ সরকারি সকল সেবা পাওয়ার জন্য অসহায় হতদরিদ্র মানুষের কাছে টাকা দাবি করেন তিনি। প্রকৃত প্রতিবন্দিদের তালিকায় নাম না দিয়ে সুস্থ মানুষ কে অসুস্থ প্রতিবন্দি সাজিয়ে তালিকায় নাম দিয়েছেন। প্রকৃত প্রতিবন্দি নিশানবাড়ীয়া আবাসনের শিল্পি বেগমের পুত্র মুসা, পূর্ব গন্ডামারী গ্রামের ফারুক মৃধার ছেলে জুনায়েত প্রতিবন্দি ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সরকারি লেট্রিন এবং টিউবয়েল দেয়ার কথা বলে পূর্ব গন্ডামারী গ্রামের বাসিন্দা পরিবানু সহ একাধিক ব্যাক্তির কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ বিরাজমান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ধানখালী ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন মিজান চৌকিদার। গ্রামবাসীরা তার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে সরকারি ভাবে সকল সেবা পাওয়ার দাবি জানান।
ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর চৌকিদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।
ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহার ব্যবহৃত মুঠফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোনকলটি রিসিব না করার কারনে তার বক্তব্য দেয়া যায় নি।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, অভিযোগ এখনো হাতে পাইনি। তবে, অভিযোগের সত্যতা পেলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আল আমিন খান , নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ নজরুল ইসলাম,
সার্বিক যোগাযোগ: 01867-243396 ই-মেইলঃ dailycrimebangla@gmail.com