
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, মরিয়মের বাবার দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মাকসুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এদিকে, পুলিশ হেফাজতে থাকা সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ফজলুল করিম। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে আইন অনুযায়ী নিয়ম মেনেই তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। মামলার অপর আসামি হলেন নিহতের মামা ওবায়দুল রহমান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, সংসদ ভবনের উল্টোদিকের ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে রোববার সন্ধ্যায় মরিয়মের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মরিয়মের হাতে লেখা কিছু চিরকুট জব্দ করেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সংসদ সদস্যের এই দ্বিতীয় স্ত্রীর নিজস্ব কোনো মোবাইল ফোন ছিল না এবং তাকে ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না।
এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সাথে সংসদ সদস্যের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তখন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মরিয়মকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। তবে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে অস্থিরতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সংসদ সদস্য তার নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন, মরিয়ম ও তার মামা ওবায়দুল্লাহ তাকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেছিল এবং তাদের ব্যবহৃত ভাড়াকৃত গাড়িটি আটকে রেখে বারবার অর্থ দাবি করেছিল। এই জটিল পরিস্থিতিতে মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় মামলার তদন্ত এখন আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, “গত ১৩ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রী, যথাক্রমে মোছা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমপি দাবি করেন, “আমরা উক্ত অফিসে অবস্থানকালে যোহরের নামাজ আদায়ের পূর্বে আমার গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরবর্তীতে সে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং আমাদের জিম্মি করে এক লক্ষ টাকা আদায় করে। “আমি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করি, ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংসদ সদস্য হওয়ায় তার গ্রেপ্তারের বিষয়ে কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গ্রেপ্তার মাকছুদা সম্পর্কে মরিয়ম খাতুনের দাদি হন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মরিয়মের আপন দাদি মাছুমা ও মাকছুদা দুই বোন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর সংসদ সদস্য তার ফেইসবুকে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট লিখে সেখানে ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মরিয়াম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আল আমিন খান , মোবাইলঃ ০১৩০৪৩৬৭৪৮১. ই-মেইলঃ dailycrimebangla@gmail.com