
পদার্থবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের সম্মানজনক নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস মঙ্গলবার এককভাবে তার নাম ঘোষণা করে। মহাজাগতিক উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো কণা শনাক্তকরণ এবং এ সংক্রান্ত গবেষণায় যুগান্তকারী অবদানের জন্য তাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ই ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে পদক ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে।
১৯৪৪ সালে বেলজিয়ামে জন্মগ্রহণকারী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ফ্রান্সিস হ্যালজেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে অধ্যাপনা করছেন। নোবেল কমিটির ভাষ্যমতে, অ্যান্টার্কটিকার বরফের গভীরে অবস্থিত ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ নির্মাণে তার কেন্দ্রীয় ভূমিকা এবং মহাবিশ্বের গভীরতম রহস্য উন্মোচনে নিউট্রিনো কণার অস্তিত্ব প্রমাণের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হলো।
আইসকিউব হলো দক্ষিণ মেরুর হাজার হাজার ফুট পুরু বরফের নিচে স্থাপিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিউট্রিনো টেলিস্কোপ। এটি মূলত দূরবর্তী ছায়াপথ, সুপারনোভা বিস্ফোরণ কিংবা ব্ল্যাক হোলের মতো উৎস থেকে কোটি কোটি আলোকবর্ষ ভ্রমণ করে পৃথিবীতে আসা প্রায় ভরহীন অদৃশ্য নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ফ্রান্সিস হ্যালজেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কাজ বিজ্ঞানের জগতে ‘নিউট্রিনো অ্যাস্ট্রোনমি’ বা নিউট্রিনো জ্যোতির্বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
চলতি বছর নোবেল ঘোষণা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘অপটোজেনেটিক্স’ উদ্ভাবনের জন্য তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এই ধারায় আগামীকাল বুধবার রসায়নশাস্ত্রে নোবেল বিজয়ীর নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আল আমিন খান , মোবাইলঃ ০১৩০৪৩৬৭৪৮১. ই-মেইলঃ dailycrimebangla@gmail.com