Array
কলাপাড়া – কুয়াকাটা মহাসড়কে আবারো সেভেন ডিলাক্স নামের একটি বাস ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাতটার দিকে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ছলিমপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দিলীপ ওই ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের দেবেশ রায়ের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে দিলীপ নিজ মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি থেকে কলাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় মাছ বাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ছলিমপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে এবং সুরতহাল করার পরে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় আব্দুল জব্বার (৭২) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার নজিপুর–নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের কাটাবাড়ি মোড় এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল জব্বার উপজেলার সরদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত সাফি উদ্দিনের ছেলে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে মোটরসাইকেলযোগে নজিপুরের দিকে যাচ্ছিলেন আব্দুল জব্বার। পথিমধ্যে কাটাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পত্নীতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদি হাসান মৌসুমী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কলাপাড়ায় হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহজালাল হাওলাদার (৪৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে নিহত ব্যক্তির পিতা হায়দার আলী (৭০)।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের ওমেদপুর কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহজালাল লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার পদে চাকুরী করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাচাতে ভাগনে হানিফের বিয়ে উপলক্ষে দুপুর বারোটার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলযোগে বরযাত্রী হিসেবে চাকামাইয়া ইউনিয়নের নিশানাবাড়িয়া গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন শাহজালাল ও তার পিতা হায়দার। এসময় ওমেদপুর এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিতা ও পুত্র গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহজালালকে মৃত ঘোষনা করেন। গুরুতর আহত হায়দার আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় অটোরিকশা উল্টে ইমরান (২৫) নামের এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলা সদরের নলখোলা এলাকায় দশমিনা-গলাচিপা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমরান উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সৈয়দ জাফর গ্রামের রবিউল বেপারীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ইমরান আরজবেগী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে নলখোলা বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে প্যাদা বাড়ির দরজার সামনে মহাসড়কে হঠাৎ একটি কুকুর সামনে পড়ে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটি উল্টে যায়। এতে চালক ইমরান গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম জানান, নিহতের লাশের সুরতহাল তৈরি করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাউফলের আতঙ্ক বেপরোয়া চেয়ারম্যান পরিবহন। প্রায়শই ঘটে দুর্ঘটনা। গলাচিপা বা দশমিনা দিয়ে ছেড়ে আসা বাউফল দিয়ে বগা ফেরি পাড় হয়ে যাওয়া যেন এক দানব। প্রায়ই কেড়ে নেয় তাজা প্রাণ। এতে যেন অলৌকিক শক্তি বলে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে প্রশাসন। সচেতন মহলের নেই কোনো মাথা ব্যাথা।
তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৬ আগস্ট-২৫) দিবাগত রাত ১টার দিকে বাউফল-ঢাকা মহাসড়কের ১২নং বাউফল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডস্থাহ আফছেরের গ্রেজ নামক এলাকায় ওই দানব চেয়ারম্যান পরিবহন যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়।
জানা গেছে, ঢাকাগামী চেয়ারম্যান পরিবহনের ওই বাসে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আহত যাত্রীদের অভিযোগ, গলাচিপা ও দশমিনা থেকে ছেড়ে আসা পরিবহনগুলোতে শ্রম আইন লঙ্ঘন করে একই চালককে দিনে-রাতে দুইবার বাস চালাতে বাধ্য করা হয়। আবার ড্রাইভারের কেউ কেউ বেপরোয়া গতিতে চালায় যার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এ রুটে।
স্থানীয়রা জানান, বাউফল-ঢাকা মহাসড়কে চলাচল করা ঢাকাগামী পরিবহনগুলোতে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।
এবিষয়ে সহকারি পুলিশ সুপার বাউফল সার্কেল আরিফ মুহাম্মদ শাকুর বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। মহাসড়কে পরিবহন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তদারকি আরও জোরদার করা হবে।
]]>অটো রিক্সা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আনোয়ারা বেগম নামের এক প্রবাসী নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ফাজিল মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রবাসী নারীর মেয়ে ও মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হয়। নিহত আনোয়ারা বেগম বরগুনার আমতলী উপজেলার তক্তাবুনিয়া গ্রামের মো. শিপন গাজীর স্ত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা যায়, নিহত আনোয়ারা বেগম ওই দিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চারটি মোটরসাইকেলে যোগে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ঘটনা স্থানে দ্রুতগতিতে আসা অটোরিকশার সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় কিছুদিন আগে সৌদিআরব থেকে দেশে আশা
আনোয়ারা বেগম নিহত হয়। অপর আহত চালক জাফরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা উল্টে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে রামগতি-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের তুলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-সাবেক কাদির পন্ডিতের হাট এলাকার হাজ্বী নোয়াব আলীর ছেলে ওসমান গনি(৫০) ও ফলকন ইউনিয়নের নুর উদ্দিন মিঝির ছেলে মো. রফিক উল্লাহ (৩৮)।
স্থানীয়রা জানান, ওসমান ও রফিক ভোরে ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর এসে নামেন। লক্ষ্মীপুর থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে নিজ বাড়িতে আসছিলেন। পথিমধ্যে রামগতি-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের তুলাতলী এলাকা পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে সিএনজি উল্টে খাদে পড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে ওসমান মারা যায়। আর মুমূর্ষু অবস্থায় রফিককে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কমলনগরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
]]>কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী মাহেন্দ্র এবং মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংযর্ষের ঘটনায় মো.রুহুল আমিন (৬০) নামে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে কলাপাড়া – পটুয়াখালী মহাসড়কের ফোরলেন সংলগ্ন এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। তিনি কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মধ্যপাটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
এ সময় গুরুতর আহত হন, আলআমিন (৩৫) ইদ্রিস মিয়া (৪৫) তানিয়া (৪০) ও দুলাল আকন (৪৭)। এদের কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
প্রত্যক্ষদর্শী আহসান মিয়া জানান, মাহেন্দ্রটি যাত্রী নিয়ে আমতলী থেকে কলাপাড়ায় আসছিলো, বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় শিক্ষক রুহুল আমিন মোটর সাইকেলের আরোহী ছিলেন। ঘটনার পরপর তাঁর কান, নাক, মুখ থেকে রক্ত ক্ষরন হয়েছিল বলে জানান তিনি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.জুয়েল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
]]>কলাপাড়ায় মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক আবদুল কুদ্দুসের মুত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ইউনিয়নের চাপলী বাজারের ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন তিন মাথা সড়কে এ দূর্ঘটনা ঘটে। মৃত কুদ্দুস ওই ইউনিয়নের নয়াকাটা গ্রামের সাহেব আলী হাওলাদারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সে মোটরসাইকেল নিয়ে গঙ্গামতি থেকে চাপলী বাজার আসার পথে আলীপুর গামী একটি অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় কুদ্দুস অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। হাসপাতালে যাওয়ার পথিমধ্যে সে মারা যায়।
কলাপাড়ার মহিপুর ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, সড়ক দূর্ঘটনার ঘটনায় মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
]]>মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় ২ মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ যুবক নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১ টার দিকে শিবচর কুতুবপুর ইউনিয়নের না-ও ডোবা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় জানা গেছে, তারা হলেন- জাজিরার কলম ঢালী কান্দির বাবুল ঢালীর ছেলে হৃদয় ঢালী ও শিবচর উপজেলার কুতুবপুর সাহেববাজার এলাকার শাজাহান তালুকদারের ছেলে মিঠু তালুকদার। নিহত অপর দুই আরোহীর নামপরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, দুপুরের দিকে পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়ের নাওডোবা গোলচত্বর থেকে কুতুবপুরের সাহেববাজার এলাকার সড়কে বিপরীতমুখী বেপরোয়া দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই যুবক মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুই আরোহী মারা যান।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৪ জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার স্থানটি শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাওডোবা সাহেববাজার এলাকা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত পরে বলা যাবে।
]]>