• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

সড়কই যেনো গ্রামবাসীর ভোগান্তি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২৫২ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

মোঃ নাহিদুল হক,কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একাধিক মেঘা প্রযেক্ট ও বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও সড়ক যোগাযোগে লাগেনি উন্নয়নের ছোয়া। উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার থেকে শের-ই-বাংলা নৌঘাটিতে যাতায়াতের প্রধান সড়কটি এখন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।এ সড়কটিতে আগে ইট বিছানো থাকলেও তার ছিটেফোঁটার চিহ্ন পাওয়া এখন দায়। কোথাও পানি জমে রয়েছে আবার কোথাও হাঁটু সমান কাঁদা। এরফলে ওইসব এলাকার মানুষের ভোগান্তি এখননচরম পর্যায় পৌঁছেছে।
এদিকে, অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জোয়ার-ভাটার পানিতে বর্ষা মৌসুমে ঘর-বাড়িগুলো প্রায় অর্ধনিমজ্জিত থাকে অধিকন্তু, রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে। এছাড়া ভ‚মি অধিগ্রহন হলেও অর্থ পরিশোধ করে তাদের উচ্ছেদের বিষয়ে উদাসীন রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে, সড়ক সংষ্কারের কাজ স্থবির হয়ে পরেছে । অতিদ্রুত ভুমি অধিগ্রহনের সমুদয় টাকা পরিশোধ করে অনত্র বসবাস করার ব্যবস্থা করবেন বলে দাবী জানান
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া ও গোলবোনিয়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাটি’র সম্প্রসারনের জন্য অধিগ্রহন করা
হয়েছে। এ দু’টি মৌজায় বানাতিপাড়া, পশরবুনিয়া, ছোনখোলা, দশকানি ও চরপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে প্রায় কয়েক হাজার লোক বসবাস করছেন। পশরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা লিটন বলেন, আমাদের রাস্তার খুব খারাপ অবস্থা
চলাচল করতে পারছি না। সামান্য বর্ষা ও জোয়ারের পানিতে বাড়িঘর, পুকুরসহ সব পানিতে তলাইয়া যায়। রাস্তায় কোন গাড়ি চলতে পারেনা তাই মাথায় বস্তা নিয়ে
হেটে যেতে হচ্ছে। সরকার আমাদের বাড়িঘরের নোটিশ দিয়া রাখছে, টাকা-পয়সা দেয় না আর উঠাইয়াও দেয় না। সড়কের কারনে আমরা চরম ভোগান্তির মধ্যে আছি।
লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, আমি এবিষয়ে একাধিকবার যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। আবারও বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে বলবো।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, ভুমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা পরিশোধের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা করবো। কিন্তু অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হলে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করার চেষ্টা করবো।
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কুতুবুল আলম বলেন, ওখানে কয়েকটি মেঘা প্রজেক্ট চলমান রয়েছে। অনেকের ক্ষতিপূরন পরিশোধ হয়েছে। এখনও যেসকল ক্ষতিগ্রস্থরা রয়েছে তাদের ক্ষতিপূরন দেয়ার দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ