• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

গাজায় ‘সম্পূর্ণ এবং ব্যাপক’ যুদ্ধবিরতি চায় হামাস/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

ক্রাইম বাংলা / ২১৬ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪

(ফিলিস্তিনী অঞ্চল), ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ (): হামাস গাজায় ‘সম্পূর্ণ এবং ব্যাপক’ যুদ্ধবিরতি চায়।
কাতার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামোর প্রস্তাবের কথা জানানোর পর ফিলিস্তিনী সংগঠন হামাসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সোমবার এ কথা বলেছেন।
তাহের আল নুনু বলেছেন, আমরা প্রথমেই ‘সম্পূর্ণ এবং ব্যাপক’ যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলছি। সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়। আগে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। তারপর জিম্মি মুক্তিসহ বাকি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এর আগে সোমবার সকালে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি বলেছেন, প্যারিসে সিআইএ প্রধান বিল বার্নস এবং ইসরায়েল ও মিসরের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বৈঠকে পর্যায়ক্রমিক যুদ্ধবিরতির কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
এ কাঠামোতে নারী ও শিশু জিম্মিদের আগে ছেড়ে দেয়ার এবং এর ভিত্তিতে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের কথা বলা হয়।
এর আগে কাতারের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধে এক সপ্তাহের বিরতি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ ই অক্টোবর ফিলিস্তিনী সংগঠন হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক বড়ো ধরনের হামলা চালানোর পর ইসরায়েলও গাজায় পাল্টা নির্বিচারে হামলা শুরু এবং হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার অঙ্গীকার করেছে ।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২৬ হাজার ৬৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ