• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা ইরানের তদবির ও অনিয়মের বেড়াজালে বন্দি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে ৬ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত জাতিসংঘে ড. খলিলের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান পুলিশ কাজ না করলে দেখার দায়িত্ব আমার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ২০২৭ সালে হজ-ওমরাহ যাত্রী নিয়ে ফিরছে মালয়েশিয়ার রায়ানি এয়ার কাতারে চাকরির সুযোগ, আবেদনকালে অর্থ লেনদেনে সতর্কবার্তা অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে চালু হতে যাচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি: নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

দশমিনায় নিজের শিশু সন্তান মরিয়ম কে হত্যা করলেন গর্ভধারিণী মা ও চাচা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

এম জাফরান হারুন।। / ২০৫ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।।

জমিজমা নিয়ে বিরোধীয় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গর্ভধারিণী মা ও আপন চাচা মিলে শিশু মরিয়মকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম। মরিয়মকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তারা।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের রামবল্লভ গ্রামে মরিয়ম হত্যার ঘটনাস্থলে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয়।

পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম জানান, মরিয়ম হত্যার ঘটনা জানার সাথে সাথেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে।

তিনি আরো জানান, হত্যার আগে মরিয়মের মা রিনা বেগম ও চাচা সেন্টু মৃধা জমিজমা বিরোধীয় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মরিয়মকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত শনিবার সন্ধ্যায় মা রিনা বেগম মেয়ে মরিয়মকে পাশের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নতুন পোষাক পরিয়ে চুল বেঁধে সাজিয়ে গুছিয়ে বাড়ির পাশের পরিত্যাক্ত ভিটায় নিয়ে গিয়ে ওড়না দিয়ে মরিয়মের মুখ বেঁধে রাখে আর চাচা সেন্টু মৃধা মোটা শক্ত লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মাথায় আঘাত করে মরিয়মকে হত্যা করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়, মরিয়মকে হত্যার আলামত ঢাকতে মা রিনা বেগম রক্তাক্ত পোষাক নিয়ে পুকুরে নেমে সাতার জানা মরিয়মকে খুজতে থাকেন এবং মরিয়মের নিখোজ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ি বাড়ি না খুঁজে এলাকার মসজিদের মাইকে তার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ প্রচার করতে থাকেন। এছাড়া মরিয়মের মায়ের অসংলগ্ন আচরণ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। মরিয়মকে হত্যার কাজে ব্যাবহৃত লাঠি ও ওড়না উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উল্লেক্ষ্য, গত শনিবার রামবল্লভ অগ্রণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়মকে (৮) বাড়িতে ফিরতে না দেখে পরিবারের লোকজন মরিয়মকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত ৮ টায় বাড়ির পাশের পরিত্যাক্ত ভিটায় মরিয়মের রক্তাক্ত দেহ পরে থাকতে দেখেন তার বাবা মকবুল মৃধা। এসময় শিশুটির মাথা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং গলায় ওড়না পেচানো ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১২ টায় মরিয়মের লাশ উদ্ধার করেন।

নিহত মরিয়মের বাবা মো: মকবুল মৃধা জানান, পুলিশ বলেছে মরিয়মের মা রিনা বেগম ও আমার ভাই সেন্টু মৃধা মিলে মরিয়মকে হত্যা করেছে, ঘটনা সত্যি না মিথ্যা বুঝতে পারছি না। তবে তারা যদি সত্যি অপরাধী হয় তাহলে তাদের যেন কঠোর বিচার হয়।

এবিষয়ে দশমিনা থানার ওসি মো: নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, মরিয়ম হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রিনা বেগম ও চাচা সেন্টু মৃধাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ