• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

কলাপাড়ায় সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ৪২৭ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
oplus_0

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

কলাপাড়ায় খুচরা সার বিক্রতাদের টিও লাইসেন্স প্রদান এবং সরকারি আইডি কার্ডধারী খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলার সার বিক্রেতারা। বুধবার দুপুর ১২ টায় বাংলাদেশ খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশন কলাপাড়া শাখার উদ্দোগে এ মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ব্যবসায়ীরা।
কলাপাড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাওসার মিয়া বলেন, কলাপাড়ার ১২ টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ১৪ জন সার ডিলারের বাইরে সরকারি আইডি কার্ডধারী ১২৪ জন খুচরা সার বিক্রেতা রয়েছে। যারা উপজেলার প্রায় ৩৫ হাজার কৃষকের কাছে সার বিক্রি করছে। এ ১২৪ জন খুচরা বিক্রেতা না থাকলে কৃষকদের কৃষি মৌসুমে সার পেতে সীমাহীন দুর্ভোগ ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হতো। কিন্তু বর্তমানে প্রতি ইউনিয়নে একজন ডিলার রেখে খুচরা সার বিক্রেতাদের বাদ দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে কলাপাড়ার খুচরা সার বিক্রেতারা এ আন্দোলনে নামে।
সংগঠনের সভাপতি শামিম মুন্সী বলেন, সারা দেশের ৪৪ হাজার খুচরা সার বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি কৃষক উপকৃত হচ্ছে। তাদের বিক্রি বন্ধ করতে পারলে সার সিন্ডিকেট চক্র আবার সক্রিয় হবে। এতে কৃষকরা কৃষি মৌসুমে সার সিন্ডিকেটের কাছে আবার জিম্মি হয়ে পড়বে। তাই অবিলম্বে সরকারি আইডি কার্ডধারী খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখার পাশাপাশি তাদের সার বিক্রির টিও লাইসেন্স প্রদানের দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ