• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী

কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ

রিপোর্টার: / ২১ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি বাড়ি থেকে লোহার গ্রিল, জানালার কপাট, সিলিং শিট, পানির মোটর ও প্রায় দুই হাজার ইটসহ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মো. মোস্তাফিজ হাওলাদার (৬৫) নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. মোস্তাফিজ হাওলাদার পূর্ব হাজিপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি তাঁর ছেলের জন্য হলদিবাড়িয়া এলাকায় একটি নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। প্রায় ২০ দিন আগে নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকায় তিনি সেখান থেকে চলে আসেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৬ নভেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তিনি নির্মাণাধীন বাড়িতে গিয়ে দেখেন, ঘরের ছয়টি লোহার গ্রিল, জানালার কপাট, তার, সিলিং শিট, একটি পানির মোটর এবং প্রায় দুই হাজার ইট নেই। রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

ঘটনার পর সম্ভাব্য চোরদের শনাক্ত ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের আশায় তিনি স্থানীয় সাক্ষী, আত্মীয়স্বজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন। পরে কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে, অভিযোগের পর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলে কলাপাড়া থানা থেকে সাব-ইন্সপেক্টর শামীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।

ভুক্তভোগী মো. মোস্তাফিজ হাওলাদার চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

প্রকাশের আগে পুলিশের কর্মকর্তার নামের সঠিক বানান নিশ্চিত করে নেবেন। আপনার দেওয়া তথ্যে নামটি ‘শমিমিম’ লেখা ছিল, তাই এখানে ‘শামীম’ ধরে লেখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ