• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা

আখাউড়ার মুস্তাকিমের মিষ্টি কুমড়া চাষেও বাম্পার ফলন/d.c.b

রিপোর্টার: / ১৯৫ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০২৩

॥ মো. শফিকুল ইসলাম ॥
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৩১ মার্চ, ২০২৩ () : জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউপির ধাতুরপহেলা গ্রামের কৃষক মুস্তাকিম সরকার। মৌসুম অনুযায়ী সারা বছরই তিনি বাণিজ্যিকভাবে পতিত জমিতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম বেগুন, তরমুজ, সাম্মামসহ নানা ধরনরে ফল ও সবজি আবাদ করছেন।
প্রথম বারের মতো এই মৌসুমে কোনো প্রকার রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে শুধু জৈব সার প্রয়োগে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে বাজিমাত করেছেন তিনি। তার ১০বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪০ টনের ওপর। এরমধ্যে তার জমির মিষ্টি কুমড়া কাটা শেষ হয়েছে। এবার উচ্চফলনশীল জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষে সফলতা পেয়েছেন তিনি। একটি টিন শেড ঘরের মধ্যে স্তুপ করে রাখা আছে ছোট-বড় মিষ্টি কুমড়া। যার পরিমাণ হলো ৪০ টনেরও বেশি। এক একটি মিষ্টি কুমড়া ২-৫ কেজির ওপর রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে কিছু বিক্রি হলেও এখন চলছে পাইকারিতে বিক্রির প্রক্রিয়া।
কৃষক মুস্তাকিম সরকার জানান, এই মৌসুমে তিনি উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপন করেন। জমি প্রস্তুত, ইজারা, বীজ, রোপণ আর পরিচর্যাসহ বিঘা প্রতি তার খরচ হয়েছে ১৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ১০ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া আবাদে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। জমি আবাদের মাত্র তিন মাসের মাথায় ওই জমিতে মিষ্টি কুমড়ার ফলন আসে। এর মধ্যে ওই জমি থেকে ফলন হওয়া মিষ্টি কুমড়া তুলে বাড়িতে রাখা হয়েছে। জমিতে তার ফলন হয়েছে ৪০ টনের ওপর। প্রতি টন মিষ্টি কুমড়া ২০-২২ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি একজন সফল চাষি হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। সবজি ও ফল চাষে বছরে তার বছরে আয় হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এই ব্যাপারে উপজলো কৃষি র্কমর্কতা শাহানা বেগম জানান, কৃষক মুস্তাকিম সরকার একজন আদর্শ কৃষক। তিনি বছর জুড়ে নানা প্রকারের সবজি ও ফল চাষ করছেন। প্রথমবারের মতো মিষ্টি কুমড়া চাষে তিনি চমক সৃষ্টি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ