• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তানভিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্পে ১,৫১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব মালিকদের নতুন তথ্য: আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে সংসদীয় চিঠির অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশন দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫৫ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবকে ‘ভূমিকম্প’ বললেন কাতারের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী নতুন তথ্য: পোকেমনের ৩০ বছর পূর্তিতে নতুন সাজে এএনএ

আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে কৃষি জমি অনাবাদি রাখার অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২০৯ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আদালতের ডিক্রী পেয়েও কৃষি জমি চাষাবাদ করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। যেখানে এক তিল কৃষি জমি অনাবাদি রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে প্রায় ৫ একর ১৪ শতাংশ জমি অনাবাদি রাখতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তোভোগী রাজিব তালুকদার। আদালত তার পক্ষে রায় দিলেও প্রতিপক্ষ সে রায়ের তোয়াক্কা না করে পেশি শক্তির বলে এ হেন কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব টিয়াখালী গ্রামের ৫নং ওয়ার্ড (টিয়াখালী মৌজা, জেএল নং- ১০) প্রায় কয়েক একর জমি অনাবাদি রয়েছে। পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে প্রায় অর্ধশত বছর ধরে এ জমি জারজিস তালুকদারের পুত্র রাজিব তালুকদার চাষাবাদ করে আসছে বলে জানান। হঠাৎ স্থানীয় কিছু কুচক্রিমহল ও তার বংশধরের কতিপয় লোক ওই জমি তাদের সম্পত্তি বলে দাবী করে। পরে তিনি জমি বুঝে পেতে কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা করেন। যাহার মূল দেং মোং নং ৩৩৫/২০১৯। আদালত রাজিব তালুকদারের পক্ষে ডিক্রী প্রদান করে (দেং ডেং নং ০১/২০২৩)। আদালতের রায় পেয়ে জমি চাষাবাদ করতে গিয়েও তাকে ব্যর্থ হতে হয়। প্রতিপক্ষের পেশি শক্তির কাছে তিনি অসহায় হয়ে পরেন। তারা আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জমি চাষাবাদে বাধা দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক বার সালিশ
বৈঠক হলেও মিলেনি কোন সুরাহা। ফলে চাষাবাদি জমি অনাবাদি রয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন রাজিব তালুকদার।
ভুক্তভোগী রাজিব তালুকদার বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছি। একটি পক্ষ ওই জমি তাদের বলে দাবী করলে আমি আদালতের সরনাপন্ন হই। বিজ্ঞ আদালত সকল কাগজ-পত্র পর্যালোচনা করে আমার পক্ষে রায় প্রদান করে। কিন্তু আদালতের রায়ের পরেও তাদের পেশি শক্তির
কারনে জমি চাষাবাদ করতে পারছিনা। তিনি এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ