• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী

সাড়া নেই কর্তৃপক্ষের, নিজ খরচে খাল খননে তালতলীর গ্রামবাসী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ কামাল মিয়া।। / ২২৯ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

মো:কামাল মিয়া,তালতলী বরগুনা প্রতিনিধি।।

বরগুনার তালতলীতে কর্তৃপক্ষের সাড়া না পেয়ে ব্যক্তিগত ভাবে নিজেদের অর্থায়নে খাল খনন করছে গ্রামবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের শিকারি পাড়া ও মোমে পাড়া দুই গ্রামের মাঝে অবস্থিত মোমে পাড়া খালটি সম্পূর্ণ সরল জমিতে রুপান্ত্রিত হয়েছে। গ্রামের কৃষকরা পরবর্তী বছর ভালো ফলনের আশায় নিজদের খরচে প্রায় এক কিঃমিঃ খাল খনন করেছে। গ্রামবাসীদের সহযোগিতা করছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান।

স্থানীয় কৃষক হোসেন ফকির সহ একাধিক কৃষক জানান,
এই এলাকার আশেপাশে কোন সরকারি খাল না থাকায় প্রায় ১২.শ একর কৃষি জমির পানি নিষ্কাশন হত এই খালটি দিয়ে।

কয়েক বছর পূর্বে এই খালটি খননের অভাবে ভরাট হয়ে গিয়ে ছিল। যার কারণে আশেপাশে কৃষি জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল না। এজন্য বছরে একবার ফসল তুলে সন্তুষ্ট থাকতে হতো। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বললেও খালটি ক্ষননের কোন সুরাহা হয়নি। এরপর দীর্ঘদিন ধরে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে খালটি সংস্কারের জন্য তাগাদা দিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা খাল সংস্কারের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তাই নিজেদের জমির ফসল বাঁচাতে ও আগামী বছর ভালো ভাবে ফসল তৈরি করতে এই খালটি খননের কাজ করছি।এই খাল খননের ফলে বছরে তিনবার ফসল তুলতে পারবো বলে আশাকরছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের লোকজনদের অত্র এলাকার কৃষকদের কথা বারবার বলা সত্ত্বেও দপ্তরের লোকজন বিষয়টি কর্ণপাত করতেন না, তাই এবার কৃষকদের নিয়ে পরামর্শ করে গ্রামবাসীদের অর্থায়নে এই খালটি খনন কাজ চলছে। যে টাকা আছে তাতে এই এক কিলোমিটার সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। আরো কিছু টাকা টাকা পেলে ২ কিলোমিটার খনন সম্ভব হতো এই খালটি ৫০ ফুট খালটি বর্তমানে আমরা ১০ ফুট খনন করছি। আশা করি কৃষকদের মুখে এবার হাসি ফুটবে। আর গ্রাম বাসীদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আকুল আবেদন এই খালটি যেন বড় করে খনন করা হয় তাহলে এই এলাকা কৃষিতে ভরে যাবে। আরে কৃষকদের মুখে ফুটবে হাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ