• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল, ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে চিঠি মানবসেবার অঙ্গীকারে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনে নতুন নেতৃত্ব কলাপাড়ায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, আহত মা-ছেলে হাসপাতালে

সাড়া নেই কর্তৃপক্ষের, নিজ খরচে খাল খননে তালতলীর গ্রামবাসী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ কামাল মিয়া।। / ১৯৮ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

মো:কামাল মিয়া,তালতলী বরগুনা প্রতিনিধি।।

বরগুনার তালতলীতে কর্তৃপক্ষের সাড়া না পেয়ে ব্যক্তিগত ভাবে নিজেদের অর্থায়নে খাল খনন করছে গ্রামবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের শিকারি পাড়া ও মোমে পাড়া দুই গ্রামের মাঝে অবস্থিত মোমে পাড়া খালটি সম্পূর্ণ সরল জমিতে রুপান্ত্রিত হয়েছে। গ্রামের কৃষকরা পরবর্তী বছর ভালো ফলনের আশায় নিজদের খরচে প্রায় এক কিঃমিঃ খাল খনন করেছে। গ্রামবাসীদের সহযোগিতা করছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান।

স্থানীয় কৃষক হোসেন ফকির সহ একাধিক কৃষক জানান,
এই এলাকার আশেপাশে কোন সরকারি খাল না থাকায় প্রায় ১২.শ একর কৃষি জমির পানি নিষ্কাশন হত এই খালটি দিয়ে।

কয়েক বছর পূর্বে এই খালটি খননের অভাবে ভরাট হয়ে গিয়ে ছিল। যার কারণে আশেপাশে কৃষি জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল না। এজন্য বছরে একবার ফসল তুলে সন্তুষ্ট থাকতে হতো। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বললেও খালটি ক্ষননের কোন সুরাহা হয়নি। এরপর দীর্ঘদিন ধরে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে খালটি সংস্কারের জন্য তাগাদা দিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা খাল সংস্কারের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তাই নিজেদের জমির ফসল বাঁচাতে ও আগামী বছর ভালো ভাবে ফসল তৈরি করতে এই খালটি খননের কাজ করছি।এই খাল খননের ফলে বছরে তিনবার ফসল তুলতে পারবো বলে আশাকরছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের লোকজনদের অত্র এলাকার কৃষকদের কথা বারবার বলা সত্ত্বেও দপ্তরের লোকজন বিষয়টি কর্ণপাত করতেন না, তাই এবার কৃষকদের নিয়ে পরামর্শ করে গ্রামবাসীদের অর্থায়নে এই খালটি খনন কাজ চলছে। যে টাকা আছে তাতে এই এক কিলোমিটার সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। আরো কিছু টাকা টাকা পেলে ২ কিলোমিটার খনন সম্ভব হতো এই খালটি ৫০ ফুট খালটি বর্তমানে আমরা ১০ ফুট খনন করছি। আশা করি কৃষকদের মুখে এবার হাসি ফুটবে। আর গ্রাম বাসীদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আকুল আবেদন এই খালটি যেন বড় করে খনন করা হয় তাহলে এই এলাকা কৃষিতে ভরে যাবে। আরে কৃষকদের মুখে ফুটবে হাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ