• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের প্রস্তুতি, থাকছে কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধা কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, ধানকাটা শ্রমিকদের বাড়িতে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন প্রধান প্রেরণা: রিজভী ঈদযাত্রায় নৌপথে কড়া নিরাপত্তা, দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় কমলাপুরে যাত্রীদের ঢল, ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি চরমে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, প্রস্তুতি সম্পন্নের পথে ডিএসসিসি

তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর অগ্রগতি: সাবেক সেনা কর্মকর্তার গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড

রিপোর্টার: / ৩৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর অগ্রগতি: সাবেক সেনা কর্মকর্তার গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড

কুমিল্লা: বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ এক দশক পর প্রথমবারের মতো এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্ত সংস্থা। গ্রেপ্তার হওয়া হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার। বুধবার (২২ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জে নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছের একটি জঙ্গলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সময় ধরে এই মামলার তদন্তে একাধিক সংস্থা কাজ করলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। থানা-পুলিশ, ডিবি এবং পরে সিআইডি তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে একাধিক তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

সম্প্রতি তদন্তে নতুন গতি আসে। গত ৬ এপ্রিল আদালতে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, যা আদালত অনুমোদন করেন। সেই তিনজনের একজন ছিলেন হাফিজুর রহমান। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, “মেয়ে হত্যার ১০ বছর পার হয়ে গেছে। মৃত্যুর আগে এর বিচার দেখে যেতে চাই।” দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই গ্রেপ্তারকে মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ