• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা

নিজ ইউনিয়নে আবাসনের দাবীতে মানববন্ধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩২০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

মো.নাহিদুল হক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিজ ইউনিয়নে আবাসনের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন ২০ পরিবার। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশান বাড়িয়া গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ কয়লা সংরক্ষনের কোল্ড টার্মিনাল নির্মানের জন্য ভ‚মি অধিগ্রহন করেন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে পার্শ্ববর্তী লতাচাপলি ইউনিয়নে আবাসন দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাদের নিজ ইউনিয়ন ধানখালীতে আবাসন ব্যবস্থার দাবী করেন।

এসময় তারা বলেন, সরকারের উন্নয়নের সাথে আমরা একমত রয়েছি। আমাদের বাব দাদার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু আমরা যাতে সবাই একসাথে এ ইউনিয়নেই থাকতে পারি সে ব্যবস্থা করার জোড় দাবী জানাচ্ছি। ধানখালী ইউনিয়নে একটি আবাসন রয়েছে আমাদের সেখানে ঘর বরাদ্ধ দেওয়ার অনুরোধ করেন।
ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম বলেন, জমি-জমা,বাড়ি-ঘর সব নদীতে ভেঙ্গে গেছে এখন ব্যারাকের দেওয়া এই জায়গাটুকুও পায়রা বন্দর নিয়ে গেছে। সারাটাজীবন এই পরিবার গুলোর সাথে কাটিয়েছি বাকি সময়টা তাদের সাথে কাটাতে চাই। আমাদেরকে এই ইউনিয়নে আবাসন দেওয়ার অনুরোধ করি সরকারের কাছে।
ভুক্তভোগী শিউলি, শিল্পি ও হনুফা বেগমসহ আরো অনেকে বলেন, আমাদের সহায়-সম্ভল সবই সরকার নিয়ে গেছে। এখন নিজ ইউনিয়নের পরিচয়টুকু থেকেও বি ত করার কথা শুনছি। সরকারের কাছে একটাই দাবী যেখানে বাব-দাদার কবর রয়েছে অন্তত সেই এলাকায় থাকার ব্যবস্থাটা করে দিক।
ভুক্তভোগী হাবলু প্যাদা বলেন, ২০০৭ সালের সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসাবে জাপানী ব্যারাক হাউজ আমাদের এখানে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেন। সরকারের উন্নয়নের জন্য আমরা তা ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু কোন একটি কুচক্রি মহল আমাদের নিজ ইউনিয়নের অধিকারটুকু ছিনিয়ে নিতে চাচ্ছে। তারা মহিপুর থানাধীন লতা চাপলী ইউনিয়নের ধূলাচর এলাকায় নির্মানাধিন আবাসন প্রকল্পে ঘর বরাদ্ধ দেয়ার জন্য জোর পায়তারা চালাচ্ছে। আমরা ধানখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা এখানেই থাকতে চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা গাজী রাইসুল ইসলাম রাজীব বলেন,অসহায় এই পরিবারগুলো জন্ম থেকে এখানে রয়েছে। তারা সুখে দুঃখে একসাথে বসবাস করে অসছে। তাদের এ ইউনিয়নে আবাসন ব্যবস্থা করে দিলে ভালো হয়।
এবিষয়ে ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রিয়াজ তালুকদার বলেন, ধানখালীতে পায়রা বন্দরের একটি আবাসন রয়েছে। তাদের সেখানে ঘর বরাদ্ধ দিয়ে এ ইউনিয়নেই রাখা যায়।
পটুয়াখালী জেলা প্রসাশক মো. কামাল হোসেন বলেন,বিষয়টি আমরা দেখব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ