• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের প্রচেষ্টা জোরদার করতে আইসিসি’র প্রধান কৌঁসুলির আহ্বান/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

ক্রাইম বাংলা ডেস্ক / ২০০ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩

মোঃ কামাল হোসেন ঃনিজস্ব প্রতিবেদক   : আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খান রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পূরণে প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শহরের একটি হোটেলে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি রোহিঙ্গাদের (ন্যায়বিচার পেতে) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
প্রধান কৌঁসুলি বলেন, প্রতিশ্রুতি এবং ন্যায়বিচার প্রদানের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে।
করিম খান তার সফরের উদ্দেশ্য এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে তাদের চলমান কাজ ব্যাখ্যা করেন।
বাংলাদেশ ন্যায়বিচারের পতাকা ধরে রেখেছে উল্লেখ করে তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার উদারতাকে ধন্যবাদ জানান।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক কথিত গণহত্যায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তিনি কক্সবাজার সফর করেন।
আইসিসি’র কৌঁসুলি বলেন, তিনি মামলার পরিচালনার জন্য তহবিল বৃদ্ধির যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
কুতুপালং ক্যাম্প পরিদর্শনকালে করিম খান রোহিঙ্গা যুব গোষ্ঠী ও নারীদের সঙ্গে আইসিসি’র কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন এবং তরুণরা কীভাবে ন্যায়বিচার প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে পারে তা নিয়ে কথা বলেন।
তিনি রিপোর্টিং প্রক্রিয়াগুলোতে প্রবেশাধিকার বাড়ানো, আইসিসির কাজ সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়া এবং স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে ফলাফল প্রদানের প্রয়োজনী অভিন্ন চুক্তির উপর জোর দেন।
২০১৯ সালের নভেম্বরে আইসিসির বিচারকরা আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করার অনুরোধ মঞ্জুর করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ