• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

পায়রা বন্দরে ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২৪২ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

মোঃ নাহিদুল হক,কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পায়রা বন্দরে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ টাকা উত্তোলনে হয়রানি বন্ধ, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত
ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং স্থানীয় গ্রামবাসী।

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রোজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের মুজিব কিল্লা সংলগ্ন বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে পায়রা বন্দরে জমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ মো. কবির তালুকদারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এ্যাড. মামুন হাওলাদার, ইউপি সদস্য সালমা বেগম, আলহাজ্ব কেরামত হাওলাদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম মোল্লা, নজরুল ইসলাম, সোহাগ তালুকদার, ব্যবসায়ী বশির হাওলাদার, হাসান হাওলাদার, নাসির মুন্সি অটো ড্রাইভার আবুল হাসান মোল্লা, মাহমুদা বাবলী, তাজনাহার বেগম,ঢালী কামরুল ইসলাম, চানমিয়া হাং প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় সরকার বাস্তবায়ন করছে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা
হয়েছে হাজার হাজার একর ফসলি জমি এবং হাজার হাজার পরিবারের বসতবাড়ি। বিগত দশ বছরে চলমান এই অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য এবং ক্ষতিপূরণ অনিশ্চয়তা ছাড়াও আছে দালাল ও কিছু সংখ্যক কর্মকর্তার উৎপাত। দালালের সহায়তায় প্রকৃত জমির মালিকের বিরুদ্ধে
ঠুকে দেওয়া হয় মামলা। অনেক জমির মালিকের ক্ষতিপূরণের টাকা আটকে গেছে এমন ভুয়া মামলায়। এতে মিলছে না ক্ষতিপূরণ, বরাদ্ধ পাচ্ছে না পুনর্বাসন কেন্দ্রে। আশ্রয়ের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হয়েছে বহু পরিবারকে। আবার অনেককে পুনর্বাসন করা হলেও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কৃষক ও জেলে পরিবার হঠাৎ হারিয়েছে মাছ ধরার জলাশয় এবং কৃষিজমি। তাঁরা এখন বেকার। কলাপাড়ায় মেগা প্রকল্পের কারণে ইলিশ প্রজননসহ প্রাণ-প্রকৃতিরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রাখাইনদের ২৩৯ বছরের পুরোনো
ছয়ানীপাড়া পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়েছে। একইসাথে পায়রা বন্দরের নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত ভারী ট্রাক ভেকু ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলের ফলে শেখ হাসিনা সড়ক থেকে টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে চলাচলের স্থানীয় সড়কের গাজীর বাড়ি থেকে টিলার বাজার অংশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দরা চলাচল করতে পারছে না। অসুস্থ রুগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই পায়রা বন্দরের ক্ষতিগ্রস্থরা তাদের সমস্যা নিরসনের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ