• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

কলাপাড়ায় পানি বন্দির শঙ্কায়, বিকল্প ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২৪১ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৩

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দুই’শ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।পায়রা বন্দরের ভুমি অধিগ্রহনের আওতাধীন সকল খাল-বিল ও সুইজগেট বালু দিয়ে ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে।এতে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পায়রা বন্দরের মেইন ফটকের দক্ষিন পাশে ঢালী বাড়ি সংলগ্ন সুইজ গেটটি ভরাট হলে পানি বন্দি হওয়ার আশংকা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা। তারা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে সুইজ গেটের বিকল্প হিসেবে
ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার জোর দাবী জানিয়েছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, পায়রা বন্দরের উন্নয়নের কাজের জন্য টিয়াখালী ইউনিয়নের কয়েক’শ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সেসকল জমি ভরাট করে
উন্নয়নের কাজ চলমান রেখেছে। ফলে ঢালী বাড়ি সংলগ্ন সুইজ গেটটি ভরাট হলে সেখানকার পানি অপসারনের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এতে সুইজ গেটের পাশে বসবাসকারী প্রায় দুইশ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ পানি অপসারনের জন্য বিকল্প হিসেবে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা
করে দিবে এমনটাই দাবী এলাকাবাসীর।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হাওলাদারসহ একাধিক লোক বলেন, পায়রা বন্দরের উন্নয়নের জন্য জায়গা-জমি ছেড়ে দিয়েছি। এখন এই সুইজ গেটটি ভরাট করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করলে আমরা পানি বন্দি হয়ে পরবো।
এবিষয়ে টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সুজন মোল্লা বলেন, ভাটা জোয়ারের পানিসহ বর্ষার অতিরিক্ত পানি অপসারনের জন্য ওই কালভার্টটি খুবই জরুরী। পায়রা বন্দরের উন্নয়নের জন্য সেটা ভরাট করা হবে। অথচ পানি অপসারনে বিকল্প হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রাখলে ওখানে বসবাসকারী দুই’শ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই, বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ওখানে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ