• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

দানোত্তম কঠিন চীবর দান ২০২৩খ্রি অনুষ্ঠিত/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

যোগেশ ত্রিপুরা (রামগড়)।। / ২৩৮ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩

যোগেশ ত্রিপুরা (রামগড়)।। 

রামগড় উপজেলাধীন পশুরাম ঘাটে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৭:০০টায় পশুরাম ঘাটে সুখাধেম্মা বুদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে- উক্ত বিহারের উপাসক -উপাসিকা বৃন্দের পরিচালনার উদ্যোগে -বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম ও প্রধান উৎসব দানোত্তম কঠিন চীবর দান ২০২৩খ্রি আয়োজন করা হয়।বিভিন্ন জায়গা থেকে বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ভান্তে গন ও উপাসক- উপাসিকা এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে ।এই দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান- দান ও মঙ্গলার্থনা দিয়ে সকাল থেকে শুরু হয়ে সারাদিন এই অনুষ্ঠান চলে।তাদের থেকে জানা যায় যে – বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম উৎসব হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব। প্রত্যেক বছরের মানুষের পূণ্যার্থ লাভে এই দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব পালন হয়ে থাকে। আরো উল্লেখ করেন যে গৌতম বুদ্ধের ২৫০০বছর আগে এই সময় চীবর স্থাপনায় মধ্যে দিয়ে উৎসবটি পালন করা হয় থাকে। তাই বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রিয় কার্তিক মাসটি দানোত্তম মাস বলা হয়।জাতি বর্ণ নির্ভিষে ভূলে একত্রিত হয় দানোৎসবে।আনন্দ মুখরিত ভাবে কাটায় দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব পালন করে ও বৌদ্ধ বিহার গুলোতে রঙিনে রাঙিয়ে আলো সজ্জিত করে। নাচে গানে ভরিয়ে দেয় এই দানোৎসব। ঢোলের তালে তালে মন মাতিয়ে দেয় উৎসব অঙ্গ। সকল দুঃখ কষ্ট মুছে যায় দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তাই অনুষ্ঠানে আয়োজন করে নানা ধরনের খাবার। অতিথি আপ্যায়ন সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিস ও দান করে থাকে। উৎসব মুখর পরিবেশে বছরে একবার পালন করে এবং বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ বিহার গুলোতে পুরো একমাস চলতে থাকে। এই উৎসব দেশে সকল মানুষের মঙ্গলকামনা ও পাপ পণ্যার্থ লাভের জন্য পালন করে আর বৌদ্ধ বিহার গুলোতে পুরো একমাসে সন্ধ্যা থেকেই প্রদীপ জ্বালিয়ে আলো সজ্জিত ও ফানুস উড়িয়ে মনের বাসনা পুরনের কামনা করে।পণ্যার্থ লাভ ও ধর্মের জাগ্রত সৃষ্টি করতে দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান পালন করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ