• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

তরমুজের সাথে এ কেমন শত্রুতা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২৩৩ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

এ কেমন শত্রুতা! রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা এক চাষীর ক্ষেতের তরমুজ নষ্ট করে ফেলেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার মধ্যরাতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতির ৩৩ কানি নামক এলাকায়। কে বা কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা সঠিক করে বলতে পারেনি ভুক্তভোগী মামুন খাঁন। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সরেজমিনে জানা যায়, ৮ একর জমি বর্গা নিয়ে তাতে তরমুজ চাষ করেন স্থানীয় মম্বিপাড়া গ্রামের জলিল খাঁনের ছেলে মামুন খাঁন। ইতোমধ্যে তার প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। সবেমাত্র ফলন আসতে শুরু করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তরমুজগুলো পরিপক্ব হলে বাজারে বিক্রি করে লাভের আশায় স্বপ্ন বুনছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্বৃত্তদের চোখ এড়াতে পারেনি তরমুজগুলো। রাতের আধারে ক্ষেতের প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ তরমুজ কেটে, ছিড়ে নষ্ট করেছে তারা।
তরমুজ চাষি মামুন খাঁন বলেন, “ঘটনার দিন ক্ষেতে পাহারা দিয়ে রাত একটার দিকে ঘুমাইতে যাই। ভোরবেলা পাশের ক্ষেতের লোকজনরা ডেকে ঘুম ভাঙ্গায়। গিয়ে দেখি কারা যেনো ক্ষেতের তরমুজগুলো কেটে, ছিড়ে নষ্ট করেছে। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরো বলেন, আমার স্বপ্নগুলো দুই টুকরো করে ফেলে রেখেছে। আর কয়দিন পরেই তরমুজগুলো বিক্রি করতে পারতাম। এ বিচার এখন কার কাছে দিবো।”
মহিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এবিষয়ে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ