• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

জুলাই গণহত্যার বিচার এক বছরে শেষ হবে বলে চিফ প্রসিকিউটরের আশাবাদ,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ২৩৫ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ দৈনিক ক্রাইম বাংলা : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন নির্মূলে পরিচালিত হত্যা- গণহত্যাসহ মানবতা বিরোধী অপরাধে সাধারণত ‘টপ কমান্ডার’ বা শীর্ষ অপরাধীদের বিচার করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

ট্রাইব্যুনালে প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সবার বিচারই প্রায় আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’ নিয়ে দুই দিনব্যাপী সংলাপের দ্বিতীয় দিনে ‘গুম-খুন থেকে জুলাই গণহত্যা: বিচারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এই সংলাপের আয়োজন করেছে ‘ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ’।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, এই ট্রাইব্যুনালের ১০ জন প্রসিকিউটর ও ১৭ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা আছেন। তাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে যে গুম, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে, সেই অপরাধের যারা মাস্টারমাইন্ড (মূল হোতা), যারা একদম সর্বোচ্চ জায়গায় বসে থেকে অপরাধগুলো সংঘটিত করেছিলেন তাদের প্রাধান্য দিয়ে বিচার করা।

তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রে এই ট্রাইব্যুনাল হাজার হাজার মানুষের বিচার করতে পারবে না এবং সেই লক্ষ্যে অগ্রসরও হচ্ছেন না তারা। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত ছিল। এর সঙ্গে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অধিকাংশ কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা ছিল।

দেশব্যাপী সবকিছুর বিচার করতে গেলে এই ট্রাইব্যুনালের পক্ষে তা সম্ভব নয় বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে সাধারণত টপ কমান্ডারদের বিচার করা হয়। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার প্রধান নিউক্লিয়াস ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নিচের দিকে কয়েকজন ছিলেন, তাদের বিচারকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, `দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা তাদের বিচার শেষ করতে চান।’ সেই সক্ষমতা তাদের আছে বলে জানান তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশব্যাপী যত অপরাধ হয়েছে, সে জন্য বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে এবং সাধারণ আদালতে বিচার চলছে।’ সেটা চলবে বলেও জানান তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ