• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

গলাচিপায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ২৫৮ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মোটরসাইকেলচালক বাহাদূর হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১৬ জুন) রাত ৩টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে।

এই ঘটনায় বুধবার (১৮ জুন) শিক্ষার্থীর মামা গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাহাদূর পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জন্ম থেকেই বাবা নিরুদ্দেশ থাকায় সে তার মামাবাড়িতেই বসবাস করে আসছিল এবং সামাজিকভাবে কিছুটা অসহায় ছিল। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাহাদূর হাওলাদার তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাহাদূর বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শিক্ষার্থী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে উঠানে বের হয়। সে সময় আগে থেকে লুকিয়ে থাকা বাহাদূর কৌশলে তাকে বাড়ির কাছে সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে তার বড় ভাই বাদশার টেইলারিং দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধস্তাধস্তি এবং ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে বাহাদূর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গলাচিপা থানার ওসি মো. আশাদুর রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ঘটনার একমাত্র আসামি বাহাদূরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।”

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ