• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তানভিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্পে ১,৫১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব মালিকদের নতুন তথ্য: আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে সংসদীয় চিঠির অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশন দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫৫ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবকে ‘ভূমিকম্প’ বললেন কাতারের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী নতুন তথ্য: পোকেমনের ৩০ বছর পূর্তিতে নতুন সাজে এএনএ

এখন হালান্ড মেসি–রোনালদোর লেভেলে: গার্দিওলা,,,

রিপোর্টার: / ১২৩ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

এখন হালান্ড মেসি–রোনালদোর লেভেলে: গার্দিওলা

ক্রীড়া ডেস্ক |

ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা মনে করেন, তার দলের নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড এখন গোল করার ক্ষেত্রে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সমতুল্য অবস্থানে পৌঁছেছেন।

গত শনিবার বোর্নমাউথের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে হালান্ডের জোড়া গোলে ৩–১ ব্যবধানে জয় পায় ম্যানচেস্টার সিটি। চলতি মৌসুমে এটি ছিল হালান্ডের ১১তম গোল, যা তাকে প্রিমিয়ার লিগের গোল্ডেন বুট দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে রেখেছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীরা গোল করেছেন মাত্র ছয়টি করে।

ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে লিগে ১০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে হালান্ডের প্রয়োজন আরও মাত্র দুই গোল। এমন পরিসংখ্যান দেখে গার্দিওলার মতে, হালান্ড এখন গোলের ধারাবাহিকতা ও নির্ভরযোগ্যতায় ঠিক সেই জায়গায়, যেখানে মেসি ও রোনালদো ছিলেন তাঁদের সোনালি সময়ে।

গার্দিওলা বলেন,

> “মেসি–রোনালদোর মতোই প্রভাব বিস্তার করছে হালান্ড। আমরা দারুণ খেলেছি, তবে অবশ্যই হালান্ড ছিল ম্যাচের নির্ধারক। এটা অনেকটা মেসি বা রোনালদোর সঙ্গে খেলার মতো—মাঠে তাদের উপস্থিতি এতটাই বড় প্রভাব ফেলে।”

 

তিনি আরও যোগ করেন,

> “আপনি যদি হালান্ডের পরিসংখ্যান দেখেন—ওহ মাই গড! সে এখন মেসি ও রোনালদোর সংখ্যার স্তরে পৌঁছে গেছে। একমাত্র পার্থক্য হলো, মেসি ও রোনালদো এটা ১৫ বছর ধরে করে আসছে। মেসি এখনো এমএলএস-এ খেলছে এবং প্রায় প্রতিদিন দুই-তিনটা গোল করছে। রোনালদোও সৌদি লিগে একইভাবে দারুণ করছে।”

 

গার্দিওলার মতে, হালান্ডের সাফল্যের মূল রহস্য তার শেখার আগ্রহ ও গোলের ক্ষুধা।

> “যেভাবে সে শট নেয়, বল মাটির ওপর দিয়ে ছোড়ে—মনে হয়, সে জানে গোল হবেই। আমি অনেকবার বলেছি, সে অবিশ্বাস্যভাবে ‘কোচেবল’। আমি কখনো কখনো তার সঙ্গে কঠিন আচরণ করি, কিন্তু সে মনোযোগী, বিনয়ী, আর শুধুই গোলের জন্য বাঁচে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ