• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু মানিকগঞ্জে এক পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক ঘটনা স্কাইট্র্যাক্স অ্যাওয়ার্ডসে কাতার এয়ারওয়েজের চার শিরোপা জয় নিখোঁজের একদিন পর কোটবাড়ির জঙ্গল থেকে কিশোরের মৃত অবস্থায় বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর আমূল সংস্কার জরুরি: ড. তিতুমীর নতুন তথ্য: সৌদি আরবে হুথি হামলার কঠোর নিন্দা জানাল ১৭ বছরে খাতায় কিছু না লিখলেও পাস করানো হতো এশিয়ান গেমস টর্চ রিলেতে শেখ জোয়ান একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের সেই স্টেটমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরলেন অনলাইনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ: প্রতিকারের দাবি*

ফেসবুক পোস্টের জেরে কলাপাড়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ,,

রিপোর্টার: / ১২৯ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

ফেসবুক পোস্টের জেরে কলাপাড়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী):
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে মারধরের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

নিহত মো. ইদ্রিস (৪৫) দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে। তিনি ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ইদ্রিস তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ তুলে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন জহিরুল ইসলাম।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইদ্রিস পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে যায় এবং সেখানে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন এবং অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। তবে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে স্বজনরা ইদ্রিসের লাশ কলাপাড়া থানায় নিয়ে আসেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, “ওই ব্যক্তি আমার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। আমি বা আমার সহযোগীরা তাকে কোনো মারধর করিনি।”

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ