• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালে হজ-ওমরাহ যাত্রী নিয়ে ফিরছে মালয়েশিয়ার রায়ানি এয়ার কাতারে চাকরির সুযোগ, আবেদনকালে অর্থ লেনদেনে সতর্কবার্তা অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে চালু হতে যাচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি: নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন জাতিসংঘের ভাষণে মামদানিকে নিশানা করতে পারেন নেতানিয়াহু জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে কাতারের আমীরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নতুন তথ্য: আফগানিস্তানের ১০ লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই চীনে নামল ইরানি মাহান এয়ার লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেল ও ফেরির ভাড়ায় এখনো অনিশ্চয়তা

২০২৭ সালে হজ-ওমরাহ যাত্রী নিয়ে ফিরছে মালয়েশিয়ার রায়ানি এয়ার

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মালয়েশিয়ার প্রথম হালালভিত্তিক বিমান সংস্থা রায়ানি এয়ার দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর পুনরায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে এবার সাধারণ অভ্যন্তরীণ রুটের পরিবর্তে হজ ও ওমরাহ যাত্রী পরিবহনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায় তারা। এই নতুন পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘রায়ানি এয়ার ২.০ হালাল’। সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালে একটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে তারা নতুন করে যাত্রা শুরু করতে পারে।

২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই এয়ারলাইনসটি সে সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে তাদের সেবানীতির কারণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিল। তাদের বিমানে মদ ও শূকরের মাংস পরিবেশন করা নিষিদ্ধ ছিল এবং প্রতিটি ফ্লাইটে বিশেষ দোয়া পাঠের নিয়ম ছিল। তবে কার্যক্রম শুরুর এক বছরের মাথায় নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত সমস্যার কারণে ২০১৬ সালে সংস্থাটির এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট স্থগিত করে মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এতে বাধ্য হয়ে সব ধরনের অপারেশন বন্ধ করে দিতে হয় তাদের।

নতুন এই যাত্রায় নিয়মিত যাত্রী পরিবহনে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সংস্থাটি ভাড়া করা বিশেষ বা চার্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে সৌদি আরবের পবিত্র শহরগুলোতে যাত্রী পরিবহনে মনোযোগী হবে। মৌসুমি চাহিদাকে কেন্দ্র করেই গড়ে তোলা হয়েছে তাদের এই ব্যবসায়িক কাঠামো। তবে এই পথে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকবে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আমাল’, যারা বর্তমানে বড় উড়োজাহাজের মাধ্যমে বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সাফল্যের সাথে তীর্থযাত্রী পরিবহন করছে।

২০২৭ সালে পুনঃযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে রায়ানি এয়ারকে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে পুনরায় প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আইনি সনদ সংগ্রহ করতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার শর্তাবলি পূরণ ও অনুমোদন প্রাপ্তির ওপরই নির্ভর করছে তাদের এই পুনরায় ফেরার বিষয়টি। যদিও প্রস্তাবিত এই ফেরা নিয়ে মালয়েশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কিংবা হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সংস্থা লেম্বাগা তাবুং হাজি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০১৫ সালে যাত্রার সময় রায়ানি এয়ার নিজেদের হালালভিত্তিক সেবা নীতির জন্য ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবারের পরিকল্পনা আগের ব্যবসায়িক মডেলের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিয়মিত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী রুটে বড় পরিসরে প্রতিযোগিতা না করে শুধু মুসলিম তীর্থযাত্রীদের পরিবহনে মনোযোগ দিতে চায় সংস্থাটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ও হজ-ওমরাহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কও তাদের কার্যক্রমে সহায়ক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রায়ানি এয়ারের নতুন করে যাত্রা এখনো চূড়ান্ত নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে পরিকল্পিত সময়ের মধ্যে ফ্লাইট শুরু করা সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করছে নিয়ন্ত্রক অনুমোদনসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণের ওপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ