• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ জুন শুরু, ঈদেও খোলা থাকবে আদালত: আইনমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের প্রস্তুতি, থাকছে কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধা কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, ধানকাটা শ্রমিকদের বাড়িতে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন প্রধান প্রেরণা: রিজভী ঈদযাত্রায় নৌপথে কড়া নিরাপত্তা, দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় কমলাপুরে যাত্রীদের ঢল, ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি চরমে

এক গ্রেনেড ২ দিন ধরে পাহারা দিচ্ছে পুলিশ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৩১ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

রংপুর জেলা প্রতিনিধি।।

রংপুর মহানগরীর দমদমা ব্রিজের পাশ থেকে পাওয়া একটি গ্রেনেড দু’দিন ধরে পাহারা দিচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গ্রেনেড উদ্ধার করা হলেও রবিবার পর্যন্ত সেটি সরানো কিংবা বিশেষজ্ঞ দল দিয়ে অকেজো করা হয়নি। বরং দু’দিন ধরে পুলিশি পাহারায় গ্রেনেডটি সেখানেই রাখা হয়েছে।

এই বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ওসি নাজমুল কাদের জানান, আদালতকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হয়েছে- তারা এসে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পদক্ষেপ নেবেন।

গ্রেনেডটি প্রথমে পেয়েছেন তাহমিনা নামের গৃহবধূ। তিনি জানান, শুক্রবার সকালে দমদমা ব্রিজের নিচে ঘাঘট নদীতে কাজ করতে গিয়ে পানির মধ্যে গ্রেনেডটি দেখা যায়। তখন সেটি শেওলায় মোড়ানো ছিল।

তিনি বলেন, আমি পাথরের শিল মনে করে বাড়িতে নিয়ে যাই। এরপর শেওলা পরিষ্কার করার পর সেটি গরম হয়ে ওঠে। তখন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে বস্তুটি উদ্ধার করে দমদমা বধ্যভূমির পাশে গামলার পানিতে রেখে দিয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই সেখানে বস্তুটি পড়ে আছে এবং একজন পুলিশ পাহারা দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ওসি নাজমুল কাদের আরও জানান, দমদমা এলাকায় গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি পাওয়া গেছে- এমন খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ওই বস্তুটি জব্দ করে করে বধ্যভূমির পাশে গামলায় পানিতে রাখা হয়েছে। ওই দিনই পুরো বিষয় আদালতকে লিখিতভাবে জানানোর পর সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বস্তুটি সেখানে এখন পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হ্যান্ড গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নাকি আগের সেটি সেনাবাহিনীর ডিসপোজাল টিম আসার পরেই বোঝা যাবে। এটি পাহারা দিচ্ছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ