• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ জুন শুরু, ঈদেও খোলা থাকবে আদালত: আইনমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের প্রস্তুতি, থাকছে কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধা কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, ধানকাটা শ্রমিকদের বাড়িতে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন প্রধান প্রেরণা: রিজভী ঈদযাত্রায় নৌপথে কড়া নিরাপত্তা, দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় কমলাপুরে যাত্রীদের ঢল, ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি চরমে

ঘোড়াঘাটে ভূয়া লাইসেন্সে সংযোগ নেয়ার চেষ্টা আটকে দিলো প্রশাসন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২১২ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।

অন্যের নামে থাকা লাইসেন্স এডিট করে ভূয়া লাইসেন্স তৈরি! অতঃপর সেই ভূয়া লাইসেন্স দিয়ে অগভীর নলকূপের বিদ্যুতিক সংযোগ নেয়ার চেষ্টা। এমন ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়।

স্থানীয় এক ব্যক্তি চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এমন অভিযোগ দিলে সেচ কমিটির মতামত ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন ইউএনও রাফিউল আলম।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার এসকে বাজার গ্রামের মৃত আশরাফ উদ্দিনের ছেলে রাসেল মিয়া তার অগভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ পাবার জন্য দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ঘোড়াঘাট জোনাল অফিসে আবেদন করে। নিয়ম মেনে আবেদনের সাথে তিনি উপজেলা সেচ কমিটি থেকে প্রাপ্ত নলকূপের একটি লাইসেন্সের অনুলিপিও জমা দেন। তবে লাইসেন্সটি ভূয়া। অন্যের নামে থাকা লাইসেন্স কম্পিউটারে এডিট করে নাম ও তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছে।

লাইসেন্সের অনুলিপিতে দেখা যায় ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার চৌখন্ডি মৌজার ২১ নাম্বার খতিয়ানের ৪৩৯ দাগ নাম্বারে ৭৫ কিউসেক সাইজে অগভীর নলকূপের লাইসেন্স এটি। গত ২০২২ সালের ২৩ মে লাইসেন্সটি প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সটিতে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিবের স্বাক্ষরও রয়েছে।

রাসেল মিয়ার লাইসেন্সটি ভূয়া কিনা! জানতে ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএডিসি’র কার্যালয়ে গেলে কারো দেখা পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর এবং বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদনকারী রাসেল মিয়ার মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার কল দিলেও তারা কল রিসিভ করেননি।

দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ঘোড়াঘাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আলিম বলেন, ‘রাসেল নামের এক ব্যক্তি একটি লাইসেন্সের অনুলিপি সহ বিদ্যুৎ সংযোগ পাবার জন্য আমাদের কাছে আবেদন করেছিলো। তবে উপজেলা সেচ কমিটির পক্ষ থেকে সংযোগ না দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে চিঠি পাঠানো হলে আমরা সংযোগটি দেইনি।’

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফিউল আলম বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমাদের মতামত ছাড়া সংযোগ না দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে রাসেল মিয়া নামের ওই ব্যক্তিকে তার আসল লাইসেন্সের কপি উপস্থাপন করার জন্য বলা হয়েছে। সে যদি তার বৈধ লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং যদি প্রমাণিত হয় যে লাইসেন্সটি ভূয়া, সেখানে আমাদের স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ