• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঘোড়াঘাটে ভূয়া লাইসেন্সে সংযোগ নেয়ার চেষ্টা আটকে দিলো প্রশাসন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৪৬ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।

অন্যের নামে থাকা লাইসেন্স এডিট করে ভূয়া লাইসেন্স তৈরি! অতঃপর সেই ভূয়া লাইসেন্স দিয়ে অগভীর নলকূপের বিদ্যুতিক সংযোগ নেয়ার চেষ্টা। এমন ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়।

স্থানীয় এক ব্যক্তি চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এমন অভিযোগ দিলে সেচ কমিটির মতামত ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন ইউএনও রাফিউল আলম।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার এসকে বাজার গ্রামের মৃত আশরাফ উদ্দিনের ছেলে রাসেল মিয়া তার অগভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ পাবার জন্য দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ঘোড়াঘাট জোনাল অফিসে আবেদন করে। নিয়ম মেনে আবেদনের সাথে তিনি উপজেলা সেচ কমিটি থেকে প্রাপ্ত নলকূপের একটি লাইসেন্সের অনুলিপিও জমা দেন। তবে লাইসেন্সটি ভূয়া। অন্যের নামে থাকা লাইসেন্স কম্পিউটারে এডিট করে নাম ও তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছে।

লাইসেন্সের অনুলিপিতে দেখা যায় ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার চৌখন্ডি মৌজার ২১ নাম্বার খতিয়ানের ৪৩৯ দাগ নাম্বারে ৭৫ কিউসেক সাইজে অগভীর নলকূপের লাইসেন্স এটি। গত ২০২২ সালের ২৩ মে লাইসেন্সটি প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সটিতে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিবের স্বাক্ষরও রয়েছে।

রাসেল মিয়ার লাইসেন্সটি ভূয়া কিনা! জানতে ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএডিসি’র কার্যালয়ে গেলে কারো দেখা পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর এবং বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদনকারী রাসেল মিয়ার মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার কল দিলেও তারা কল রিসিভ করেননি।

দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ঘোড়াঘাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আলিম বলেন, ‘রাসেল নামের এক ব্যক্তি একটি লাইসেন্সের অনুলিপি সহ বিদ্যুৎ সংযোগ পাবার জন্য আমাদের কাছে আবেদন করেছিলো। তবে উপজেলা সেচ কমিটির পক্ষ থেকে সংযোগ না দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে চিঠি পাঠানো হলে আমরা সংযোগটি দেইনি।’

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফিউল আলম বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমাদের মতামত ছাড়া সংযোগ না দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে রাসেল মিয়া নামের ওই ব্যক্তিকে তার আসল লাইসেন্সের কপি উপস্থাপন করার জন্য বলা হয়েছে। সে যদি তার বৈধ লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং যদি প্রমাণিত হয় যে লাইসেন্সটি ভূয়া, সেখানে আমাদের স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ