• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান

কক্সবাজারে ন্যাড়া পাহাড়ে এক মাসে লাগানো হবে৫১ লাখ চারা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ আমিন  কক্সবাজার প্রতিনিধি / ২৮৩ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৪ জুন, ২০২৩

মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ আমিন
কক্সবাজার প্রতিনিধি ঃকক্সবাজারের রামু উপজেলার   গর্জনিয়া ইউনিয়নের   জুমছড়ি  এলাকায় বনদস্যুরা বনাঞ্চল  উজাড় করায় বাঁকখালী রেন্জের আওতায় প্রায় ৩৯০  হেক্টর বিরানভুমিতে পরিনত হয়। দীর্ঘ  ৩ যুগ পর  এসব পাহাড়ে নতুন করে বনায়ন করে  আগের অবস্থায়  ফিরয়ে  আনার  চেষ্টা চলছে। এসব বিরানভুমিতে প্রায় ৫১ লাখ চারা লাগানো হবে  বলে জানিয়েছেন, কক্সবাজার  উত্তর  বনবিভাগের  বন কর্মকর্তা ( ডিএফও) মোহাম্মদ  আনোয়ার হোসেন সরকার।
গত শনিবার  সকাল থেকে  পাহাড় গুলোতে চারা লাগানো শুরু হয়ছে।
এসব চারা গাছ গুলোতে রয়েছে  আমলকি,হরিতকি, গয়রা, গর্জন, চাপালিশ, বৈলাম, সিভিট, জাম, চাপাতুল, কৃষ্নচুড়াসহ বিভিন্ন  জাতের চারাগাছ ।
গর্জনিয়া ও ঈদগড় ইউনিয়নের প্রায়১০ থেক ১২ একর জায়গায় নতুন চারা লাগানো  হয়েছে ।
বন কর্মকর্তা  আনোয়ার হোসাইন  সরকার আরও বলেন, টেকসই  বন সৃজন, জীববৈচিত্র্য  পুনরুদ্ধার  এবং হারিয়ে যাওয়া  বন ফিরিয়ে  আনতে এই বনায়ন কর্মসূচী বাস্তবায়িত হচ্ছে। বন বিভাগের  পরিত্যাক্ত জায়গাতে সবুজ বনাঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে ।  সবুজ বনায়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন  হলে দুই তিন বছরের মধ্যে  কক্সবাজার  জেলাতে আর ন্যাড়া পাহাড়  দেখা যাবেনা বলে মন্তব্য   করেছেন, কক্সবাজার  বনবিভাগের বনকর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন সরকার ।
আগামী  ১৫ জুলাই  পর্যন্ত চকরিয়া, রামু, ও কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তত  ২০ হাজার  একর বিরান ভুমিতে বিভিন্ন প্রজাতির  ৫০ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ চারা লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন  কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের  বনকর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ