• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, সফরে সঙ্গী ৩৫ সদস্য বাংলাদেশে ১৫ বছর পূর্তি উদযাপনে তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের হাফ ম্যারাথন ডিসেম্বরেই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন নতুন তথ্য: লাহোরে ইমরান খানের বোন আলিমা গ্রেপ্তার ন্যাম ভবনে সংসদ সদস্যের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু কাতারে চাকরির নতুন বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কতা: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের: মক্কা চুক্তি সক্রিয় এমিরেটস ও ফ্লাইদুবাইয়ে যাত্রীদের জন্য দ্বিগুণ মাইল জয়ের সুযোগ জানুয়ারিতে হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু

একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিশ্ববাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা,,,

রিপোর্টার: / ১৫৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিশ্ববাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সব শহীদকে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা।”

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের এদিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ ও আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান রচিত হয় এবং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত আরও দৃঢ় হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি; বরং একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বাংলা ভাষাকে তিনি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভাষার জন্য বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সংরক্ষণের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এই চেতনাকে ধারণ করেই দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এ অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি ভাষা শহীদসহ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সব শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশে বিদ্যমান ভাষা বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সব ভাষা শহীদের মাগফেরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ