• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

ঈদযাত্রায় রক্তাক্ত সড়ক—১৫ দিনে প্রাণ গেল ৩৫১ জনের, আহত সহস্রাধিক,,

রিপোর্টার: / ১২৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

ঈদযাত্রায় রক্তাক্ত সড়ক—১৫ দিনে প্রাণ গেল ৩৫১ জনের, আহত সহস্রাধিক

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে দেশের সড়কপথে আবারও দেখা দিয়েছে মৃত্যুর মিছিল। ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার মাত্র ১৫ দিনে সারাদেশে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত এবং ১০৪৬ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০২৬’ প্রকাশ করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত এবং ১২৮৮ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত এবং নৌপথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ১৪ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে।

বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার বড় একটি অংশ। এছাড়া ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও যাত্রীবাহী বাসও দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল উল্লেখযোগ্য হারে।

সংবাদ সম্মেলনে মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, পরিবহন খাতে এখনো পুরোনো সিন্ডিকেট ও অনিয়ম বহাল রয়েছে। যাত্রী প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভাড়া নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা বেড়েছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

দুর্ঘটনার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার নিয়ন্ত্রণহীন চলাচল, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অদক্ষ চালক, উল্টোপথে গাড়ি চালানো, সড়কে চাঁদাবাজি এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত।

দুর্ঘটনা রোধে সংগঠনটি প্রযুক্তিনির্ভর সড়ক ব্যবস্থাপনা, স্মার্ট ভাড়া পদ্ধতি চালু, যানবাহনের নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ, মহাসড়কে আলোর ব্যবস্থা এবং চালকদের প্রশিক্ষণ ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণের মতো নানা সুপারিশ করেছে।

এদিকে একই সময়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২১৭৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন, যা ঈদযাত্রার ভয়াবহ বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ