• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা: জট কমাতে নতুন আদালত, বিচারক নিয়োগ ও ডিজিটাল উদ্যোগ

রিপোর্টার: / ১২২ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা: জট কমাতে নতুন আদালত, বিচারক নিয়োগ ও ডিজিটাল উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি। বিপুল এই মামলার চাপ কমাতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার সভাপতিত্ব করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলার জট নিরসনে ইতোমধ্যে ৮৭১টি নতুন আদালত গঠন এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। বিচার বিভাগের জনবল বাড়াতে ৭০৮ জন কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে এবং আরও ৫৫৩ জন নিয়োগাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, “সরকার দ্রুত, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী বিচার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে মামলার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জনগণ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে।”

মামলার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। অধস্তন ও উচ্চ আদালতের কজলিস্ট শতভাগ অনলাইনে আনা হয়েছে, ফলে এখন ঘরে বসেই মামলার তারিখ জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি ডিজিটাল সমন জারি, অনলাইন সাক্ষ্য গ্রহণসহ বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি চালু হয়েছে, যা বিচার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও গতিশীল করছে।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসগুলোকে শক্তিশালী করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে আইনি সহায়তার জন্য ১৬৬৯৯ হটলাইন চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, “মামলার প্রকৃতি ও জটিলতার ওপর সময় নির্ভর করে। কোনো মামলা এক বছরে নিষ্পত্তি হতে পারে, আবার কোনো মামলায় পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ও লাগতে পারে।”

সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ