• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

চাহিদার চাপে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ালো সরকার, সোমবার থেকে বাড়তি বরাদ্দ কার্যকর

রিপোর্টার: / ১১৭ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

চাহিদার চাপে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ালো সরকার, সোমবার থেকে বাড়তি বরাদ্দ কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশে জ্বালানি তেলের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় ডিপো পর্যায়ে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে ডিজেল ও পেট্রোল ১০ শতাংশ এবং অকটেন ২০ শতাংশ বেশি হারে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানায়, ভোক্তা ও ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে নতুন হারে জ্বালানি বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ঘোষণা দেয়, যা রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়। বর্তমানে সারাদেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে নতুন নির্ধারিত দামে জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে।

নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে ডিজেল ছিল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দাম বৃদ্ধির পরপরই বাজারে চাহিদার চাপ তৈরি হয়। সেই চাপ সামাল দিতে সরবরাহ বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে। বিপিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ