• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১

রিপোর্টার: / ৯২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

: কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গভীর রাতে ট্রাক ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার বাঁশেরতল এলাকায় ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুমড়ে মুচড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন—শিশু ছাদিয়া আক্তার (৮), নুরনবী ইসলাম (২৮) এবং মাইক্রোবাসচালক লিমন ইসলাম (২৮)। তারা সবাই ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম ও রংপুরে পাঠানো হয়েছে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হীল জামান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ চালায়। পরে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে সড়কে চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ প্রায় সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতাকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, মাইক্রোবাসটির কয়েকজন যাত্রী চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই পথেই ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে বাড়তি যানচাপের মধ্যে এমন দুর্ঘটনা সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ