• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

সংসদে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি উত্থাপনের দাবি রুমিন ফারহানার

রিপোর্টার: / ১০৫ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

সংসদে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি উত্থাপনের দাবি রুমিন ফারহানার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ২৪তম কার্যদিবসে তিনি এ দাবি জানান।

জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, চুক্তিটি দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই এর শর্ত, প্রভাব ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং সংসদে আলোচনা করা জরুরি।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে, জাতীয় নির্বাচনের আগে এই চুক্তি স্বাক্ষরকে তিনি সমালোচনার মুখে পড়ে বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, “সুশীল সমাজ তখনই বলেছিল—একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা উচিত নয়। নির্বাচিত সরকার এলে তা বিবেচনা করা যেতে পারত।”

রুমিন ফারহানা আরও জানান, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানি, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো সামনে এসেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই এই চুক্তির আলোচনা হচ্ছে বলে সরকার দাবি করলেও, এর প্রকৃত শর্তাবলি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব জনগণের কাছে স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

তিনি সংসদে দাবি জানান, সরকার চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে চুক্তিটি সংসদে এনে পর্যালোচনা করা উচিত। “চুক্তিটি সংসদে আনা হোক,”—বলেন তিনি।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কার্যপ্রণালি বিধির ৩০১ নম্বর বিধির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারে নতুন কোনো বিষয় উত্থাপন করা যায় না; এ ধরনের বিষয় নোটিশ আকারে আনতে হবে। পরে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ দিয়ে উত্থাপনের পরামর্শ দেন তিনি।

সংসদে এই বক্তব্যের পর চুক্তিটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রুমিন ফারহানার বক্তব্যে তিনটি বিষয় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে—চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল নিয়ে বিতর্ক, শর্তাবলি নিয়ে আপত্তি এবং সংসদীয় পর্যালোচনার দাবি। তারা মনে করছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় আলোচনা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ