• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

জাতীয় সরকার না হলে সেনাশাসনের ঝুঁকি ছিল’—সংসদে নাহিদ ইসলামের বিস্ফোরক বক্তব্য

রিপোর্টার: / ১১০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

 ‘জাতীয় সরকার না হলে সেনাশাসনের ঝুঁকি ছিল’—সংসদে নাহিদ ইসলামের বিস্ফোরক বক্তব্য

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম একাধিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইস্যুতে তীব্র বক্তব্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিনি বলেন, একসময় দেশের সামনে “জাতীয় সরকার” অথবা “সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর”—এই দুই বিকল্পই ছিল।

নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিএনপি তা গ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা গেলে বিএনপি এখনও ক্ষমতায় আসতে পারতো না।” একই সঙ্গে সংবিধানের ধারাবাহিকতার প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, “এখন তো সাংবিধানিক সংকট নেই, তাহলে কেন রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ বা গ্রেফতার করা হচ্ছে না?”

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “এমন একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাখা দেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।”

সংবিধান নিয়েও সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানকে একাত্তরের চেতনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখানো হয়েছে, যা তিনি সঠিক মনে করেন না। তার মতে, “এই সংবিধান ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার একটি কাঠামো তৈরি করেছে এবং এটি মূলত এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতিফলন।”

তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবি উঠেছিল। “আমরা শুরু থেকেই সংবিধান পুনর্লিখনের কথা বলেছি। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনকেন্দ্রিক পথে এগোতে চেয়েছে,” উল্লেখ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, “জুলাই সনদ” স্বাক্ষরের সময় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। তার দাবি, একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধনে এই বিভক্তি তৈরি করা হয়েছে, যা জাতীয় ঐকমত্যকে দুর্বল করেছে।

তার এই বক্তব্যে সংসদে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ