
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলার তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জসীম উদ্দিন খান, যিনি সিআইডি-র বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, “রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির পক্ষ থেকে সব ফরেনসিক রিপোর্ট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
সিআইডি সূত্র জানায়, সংস্থাটির ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন এসব গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট সংগ্রহ করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।
গত ১৯ মে সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানা-য় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানা-র স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-কে আটক করা হয়। পরে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এখনও উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহল।