• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএফইউজে-ডিইউজের শোক, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম জানাজা কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো’ ছয় মাসে পাঁচ অঞ্চলে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জোর প্রস্তুতি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের একনেকেই পাস হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তিস্তাপারের মানুষের আর কোনো চিন্তা নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন শঙ্কা জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

রিপোর্টার: / ১৯ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

 

না ফেরার দেশে তোফায়েল আহমেদ: ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের কিংবদন্তি নেতার বিদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৪টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

দেশের রাজনীতিতে একজন অভিজ্ঞ, প্রভাবশালী ও সংগ্রামী নেতা হিসেবে পরিচিত তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব ও অবদান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ