• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

সমুদ্রবন্দরের সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহার, পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা

রিপোর্টার: / ৯৬ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

সমুদ্রবন্দরের সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহার, পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা

উপশিরোনাম:

পাহাড়ি জেলায় ভূমিধসের শঙ্কা, কয়েকটি নদীবন্দরে বহাল এক নম্বর সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা কেটে যাওয়ায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরের স্থানীয় সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পাঁচ বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্কতা সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সমুদ্রবন্দরের সংকেত প্রত্যাহার হলেও দেশের কয়েকটি নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ভারি বৃষ্টিপাত নিয়ে জারি করা পৃথক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, শনিবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, আগামী কয়েকদিন দেশের পাঁচটি বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ১৪ জুলাইয়ের পর থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে।

এদিকে ভারি বর্ষণের কারণে শনিবার (১১ জুলাই) ও রোববার (১২ জুলাই) কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালের নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে আরও বলা হয়, ভারতের মধ্য উত্তর প্রদেশ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। এছাড়া চট্টগ্রামের আমবাগানে ১০৬ মিলিমিটার, যশোরে ৮৯ মিলিমিটার, বান্দরবানে ৮০ মিলিমিটার, সীতাকুণ্ডে ৭৯ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ৭৭ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ