• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান

১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল থার্ড টার্মিনাল চালুতে অনিশ্চয়তা

রিপোর্টার: / ৫৯ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালুর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আর্থিক ও পরিচালন কাঠামো নিয়ে এখনো অমীমাংসিত অনেক বিষয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই টার্মিনালের দৈনন্দিন পরিচালনা এবং আর্থিক কাঠামো ঠিক করা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সামনে এখনো বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কয়েক দফায় আলোচনা চললেও গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্ব বন্টন, আয় ও ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব এবং আর্থিক দায়বদ্ধতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে এখনো পূর্ণাঙ্গ সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের বিষয়টি এই আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে। বর্তমানে বিমান এই দায়িত্ব পালন করলেও থার্ড টার্মিনাল চালুর পর তাদের কাজের পরিধি, আয়ের হিস্যা এবং ব্যয়ের বিষয়টি কীভাবে সমন্বিত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এছাড়া বিমানের নিজস্ব আর্থিক দায়ভার অন্য কেউ গ্রহণ করবে না বলে আলোচনায় উঠে এসেছে, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে নিজ দায় মেটানোর পথ খুঁজে বের করতে হবে। অন্যদিকে, জাপানি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধের নিশ্চয়তার জন্য পারফরম্যান্স সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা জামানত দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে।

পরিচালন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরকারের কাছ থেকে আর্থিক গ্যারান্টি বা কমফোর্ট লেটার প্রদানের বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও এর আইনি ভিত্তি এখনো নিশ্চিত নয়। এছাড়া লাইবিলিটি ফ্রিজের সময়সীমা এবং পারফরম্যান্স সিকিউরিটির মতো আইনি সুরক্ষা কবজ নিয়েও কাজ চলছে। প্রথম দফার আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার পর প্রস্তাবনাগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষদিকে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে এই জটিল বিষয়গুলোর সুরাহা খোঁজা হবে।

এই জটিলতা সত্ত্বেও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে সরে আসেনি। বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এসএম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, আলোচনা চলমান রয়েছে এবং সব সমস্যার যৌক্তিক সমাধান করে ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্যেই তারা কাজ করে যাচ্ছেন। অবকাঠামো নির্মাণের পর এখন পরিচালন ও আর্থিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি সমাধান করাই কর্তৃপক্ষের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। পরবর্তী বৈঠকে সব পক্ষ এসব বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ