• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল, ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে চিঠি

পটুয়াখালী জেলায় ৪ স্কুলের সবাই ফেল, জেলায় গড়ে পাসের হার ৫৫.৭২ শতাংশ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ২২৭ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পটুয়াখালী জেলার চারটি স্কুলের এক শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এসব বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১২ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার মিয়াবাড়ি মডেল হাই স্কুল থেকে ১ জন, মির্জাগঞ্জ কিসমতপুর গার্লস স্কুল থেকে ২ জন, দশমিনার পূর্ব আলীপুর হাই স্কুল থেকে ৮ জন এবং দুমকি জলিশা গার্লস স্কুল থেকে ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ শূন্যতে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বরিশাল শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত এসএসসি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এবার পটুয়াখালী জেলায় গড় পাসের হার ৫৫.৭২ শতাংশ, যা বরিশাল বোর্ডের সামগ্রিক গড় ৫৫.১৮ শতাংশের চেয়ে কিছুটা বেশি। তবে চারটি বিদ্যালয়ের এমন করুণ ফলাফল এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো সামগ্রিক মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সরকারি বেতন ভাতা নিয়ে কমসংখ্যক শিক্ষার্থীও পাস না করায় জেলায় হাস্যরসে পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। ওইসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক যারা রয়েছেন, তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। তাই তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষা অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক অবস্থা, পাঠদানের পরিবেশ ও শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা খতিয়ে দেখা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মু. মুজিবুর রহমান বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে, আমরা সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো বলে প্রতিবেদককে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ