• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা

জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ১৫৯ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

জ্বালানি তেল বা বিদ্যুতের দাম আপাতত বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সরকার জনগণের দুর্ভোগ বাড়াতে চায় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাই মানুষের কষ্ট বাড়বে এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখন নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত রয়েছে। মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ আছে এবং এপ্রিল ও মে মাসেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভারত থেকেও নিয়মিত ডিজেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ভারতের সঙ্গে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল আসে এবং প্রয়োজন হলে সরবরাহ বাড়ানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের বড় ধরনের কোনো সংকট নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল পাম্পে যে ভিড় দেখা গেছে, তা মূলত গুজবের কারণে। জ্বালানি পাওয়া যাবে না বা দাম বাড়বে—এমন আশঙ্কায় অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি তেল সংগ্রহ করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের পেট্রোল ও অকটেনের বড় অংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, তবে ডিজেলের জন্য আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা ছিল, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা বেড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টনে পৌঁছেছে।

এই বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি রাইড শেয়ারিং চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি নেওয়ার সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যতদিন সম্ভব হবে সরকার জ্বালানির দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে এবং সব সিদ্ধান্তই জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ