• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস: প্রসিকিউশন টিমকে ‘জিরো টলারেন্স’ সতর্কবার্তা চিফ প্রসিকিউটরের জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ঈদের আগে স্বস্তির বার্তা: ৩৭ হাজারের বেশি নারী পেলেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত….. মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব: ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ…. বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত, দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের ভিত্তিতেই বিচার হবে: শামা ওবায়েদ গুমের শিকার পরিবারকে সহায়তার দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ফখরুলের তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি

জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ১৭ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি বা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই, গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

জ্বালানি তেল বা বিদ্যুতের দাম আপাতত বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সরকার জনগণের দুর্ভোগ বাড়াতে চায় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাই মানুষের কষ্ট বাড়বে এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখন নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত রয়েছে। মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ আছে এবং এপ্রিল ও মে মাসেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভারত থেকেও নিয়মিত ডিজেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ভারতের সঙ্গে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল আসে এবং প্রয়োজন হলে সরবরাহ বাড়ানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের বড় ধরনের কোনো সংকট নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল পাম্পে যে ভিড় দেখা গেছে, তা মূলত গুজবের কারণে। জ্বালানি পাওয়া যাবে না বা দাম বাড়বে—এমন আশঙ্কায় অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি তেল সংগ্রহ করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের পেট্রোল ও অকটেনের বড় অংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, তবে ডিজেলের জন্য আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা ছিল, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা বেড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টনে পৌঁছেছে।

এই বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি রাইড শেয়ারিং চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি নেওয়ার সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যতদিন সম্ভব হবে সরকার জ্বালানির দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে এবং সব সিদ্ধান্তই জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ