• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা ঘুষখোর ও লুটপাটে লিপ্ত: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সৌদির প্রধান তেল পাইপলাইনে হুতি হামলা: বিশ্ববাজারে ৪ শতাংশ সরবরাহের ঝুঁকি কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় মঙ্গলবার পুনরায় চালু হতে পারে বেহালা বিমানবন্দর: চলছে আকাশ ও স্থল জরিপের কাজ আগামী দুদিনের মধ্যেই সার সংকট কেটে যাবে, দাবি কৃষিমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে নৈশভোজে নিরামিষ মেনু নিয়ে ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তে ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ছাড়: সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণের সুযোগ আমদানি কমিয়ে দেশি কৃষিপণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

সৌদির প্রধান তেল পাইপলাইনে হুতি হামলা: বিশ্ববাজারে ৪ শতাংশ সরবরাহের ঝুঁকি

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি আরবের তেল রপ্তানি খাতের প্রধান পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি হুতিদের ড্রোন হামলার কবলে পড়েছে। গত শুক্রবার থেকে এই পাইপলাইন বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ প্রায় চার শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। লোহিত সাগর অভিমুখী এই লাইনটি দ্রুত সচল করা সম্ভব না হলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রিয়াদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা মেরামতের সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্পূর্ণ সংস্কারের জন্য পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে আংশিকভাবে সরবরাহ চালুর চেষ্টা চলছে।

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা বাড়ার পর থেকেই সৌদি আরব এই পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে এই লাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হতো। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের মজুত রয়েছে এবং মিশরের দুটি বন্দরের সহায়তায় আরও কয়েক দিন সরবরাহ সচল রাখা সম্ভব হবে। পাইপলাইন পুরোপুরি সচল না হলে এই মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, গত আগস্টেই সৌদির তেল সরবরাহ গত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে।

জ্বালানি তেলের এই নতুন সংকট বিশ্ববাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি ও বন্ডের সুদহার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হতো, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সেই প্রবাহ ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। সার্বিকভাবে সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদনও আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের সংকটের সংকেত দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ