• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

যুক্তরাষ্ট্রে ডানা মেলছে ভিয়েতজেট

রিপোর্টার: / ৫৬ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
‘হ্যালো আমেরিকা’ বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরুর পর বৈশ্বিক ব্যবসায়িক পরিধি ও অংশীদারিত্ব বাড়াচ্ছে ভিয়েতনামের ভিয়েতজেট।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে ভিয়েতনামের শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা ভিয়েতজেট। ‘হ্যালো আমেরিকা’ নামক একটি বিশেষ ফ্লাইটে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হো চি মিন সিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন সংস্থাটির প্রতিনিধিরা। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিয়েতজেটের চেয়ারম্যান ড. নগুয়েন থি ফুয়ং থাও। সে সময় তিনি তৎকালীন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

বিমান সংস্থাটি এখন শুধুমাত্র উড়োজাহাজ পরিচালনাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং প্রযুক্তি ও পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের মেলে ধরছে। এর অন্যতম বড় ভিত্তি হলো বিশ্বের শীর্ষ বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব। ২০১৬ সালে ১০০টি উড়োজাহাজের চুক্তির মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক ২০১৯ সালে ২০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের চুক্তিতে রূপ নেয়। পাশাপাশি জিই, হানিওয়েল, প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এবং গুগলের মতো প্রযুক্তি ও ইঞ্জিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও সংস্থাটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে। এছাড়া স্পেসএক্সের সঙ্গে আধুনিক সংযোগ প্রযুক্তি নিয়েও ভিয়েতজেট সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

নিজেদের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে বিমান প্রকৌশল, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তির দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে ভিয়েতজেট। বোয়িংয়ের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে তারা ভিয়েতনামকে বিমান প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সেবার একটি বড় আঞ্চলিক কেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো সংস্থাটির কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।

নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়নেও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভিয়েতজেট। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ড. নগুয়েন থি ফুয়ং থাও নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ পরিদর্শন করেন এবং চেয়ারম্যান লিন মার্টিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই সফরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সমাপনী ঘণ্টা বাজানোর অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে ভিয়েতনামের ব্যবসায়িক সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এভাবে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পুঁজি ও জ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে ভিয়েতজেট নিজেকে বিশ্বের বড় করপোরেশনগুলোর সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ