• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ঢাকার ৪ বারে এনবিআরের একযোগে অভিযান জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব: বিমানের দুই কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ব্যবস্থা উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনজীবনে চাপ সৃষ্টি করছে: অর্থমন্ত্রী গুলশানের নিজ বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার নির্দেশ এলজিআরডি মন্ত্রীর তিন মাসের মধ্যেই সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা ও লাগেজ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে মন্ত্রী সব সমস্যার সমাধান করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আশ্বস্ত করলেন রাশেদ খাঁন ট্রাম্পের নৈশভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান ও জুবাইদা ঢাকার মাদক বাণিজ্যে শিশুদের ব্যবহার উদ্বেগজনক পর্যায়ে

জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব: বিমানের দুই কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

রিপোর্টার: / ২ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৩৮ ফ্লাইটে ওমরাহ পালন শেষে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে জটিলতা দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি অবতরণ করলেও যাত্রীরা নির্ধারিত সময়ে পানি বুঝে পাননি। ওমরাহ ফেরত যাত্রীদের কাছে জমজমের পানি অত্যন্ত আবেগ ও গুরুত্বের বিষয় হওয়ায় এ ঘটনায় বেশ ভোগান্তিতে পড়েন তারা।

তদন্তে উঠে এসেছে, জমজমের পানি বহনকারী কন্টেইনার অফলোডিংয়ের সময় এবং পরবর্তী পরিচালনার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল। এই গাফিলতির কারণেই ব্যাগেজ বেল্টে সঠিক সময়ে পানি পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে বিমান কর্তৃপক্ষ নিজস্ব মজুত থেকে যাত্রীদের পানি সরবরাহের দ্রুত উদ্যোগ নেয়। একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া বা সঠিক স্থানে না পৌঁছানো কন্টেইনারটি খুঁজে বের করে সেখান থেকেও পানি বিতরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে ব্যাগেজ ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম প্রধান এবং ফ্লাইট সুপারভাইজার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের এই ব্যর্থতা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কাজের পর্যালোচনাও করছে বিমান।

যাত্রীদের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের সামগ্রী সরবরাহের ক্ষেত্রে সমন্বয় ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে। যাত্রীদের সাময়িক এই ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে সেবার মান আরও উন্নত ও সতর্ক রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ