• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

কলাপাড়ায় বৈশাখী মেলায় লাকি কুপনের বানিজ্য/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

মোঃনাহিদুল হক / ২১৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪

মো.নাহিদুল হক
কলাপাড়াঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলছে বৈশাখী মেলা।এ মেলাকে কেন্দ্র করে বাধ্যতামূলক লাকি কুপন বিক্রির প্রতিযোগীতায় নেমেছেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এ থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষকসহ জনপ্রতিনিধিরা। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের নতুন মাঠে ৭ ব্যাপী বৈশাখী মেলার প্রথম দিন থেকেই এ লাকি কুপনের বাণিজ্য শুরু হয়। কুপন কেনায় বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে উপজেলাবাসী। চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। বিষয়টি এখন টক অপ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এদিকে, মেলার খরচ পোষাতে ৫০ হাজার লাকি কুপন ছাঁপানো হয়। প্রতিটি কুপনের মূল্য ২০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। তবে এ মেলা আরো ২ দিন বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন এমনটি জানিয়েছেন একটি বিশ্বস্ত সূত্র।

জানা যায়, এবারের বৈশাখী মেলায় একাধিক ষ্টল ফাঁকা রয়েছে। অতিরিক্ত ষ্টলের মূল্য নির্ধারণ করায় এমনটি হয়েছে বলে একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান। তবে, গরমের তীব্রতা থাকায় সরবতের দোকানগুলো ছিলো চোখে পড়ার মতো। কিন্তু সেসকল দোকান থেকেও প্রতিদিন আদায় করা হয়েছে উৎকোচ। এ উৎকোচ থেকে রেহাই পায়নি ছোট ছোট পান সিগারেটের দোকানীরাও। এদিকে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত প্রকাশ্যে র‌্যাফেল ড্রয়ের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলার সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ইউপি সদস্যদের কাছে চলে গেছে লাকি কুপনের বহি। এসকল কুপন ক্রয় করতে স্থানীয় সাধারনের উপর বাড়তি চাপ পরছে বলে জানান অনেকেই।
মেলায় আগত একাধিক দর্শনার্থীরা জানান, এবারের মেলার আয়োজনটি খুব ভালো ছিলো। তবে, উল্লেখ্যযোগ্য শিল্পী না থাকায় এবং সেই সাথে অনেকগুলো স্টল ফাঁকা থাকায় আয়োজনটি কিছুটা হলেও মলিন হয়েছে বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেন।
এদিকে মেলার পান সিগারেটের দোকানী শেফালী বেগম বলেন, মেলা উপলক্ষে বাড়তি কিছু আয়ের জন্য পান সিগারেটের দোকান নিয়ে বসেছিলাম। দর্শনার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় আশানুরুপ বিক্রি হচ্ছে না। তদুপরি, মেলায় দোকান নিয়ে বসায় কমিটিকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রবিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি পরিমাণ লাকি কুপন করা হয়েছে তা প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাথে কথা বললে জানতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ