• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

প্রতিবাদে তিন সংগঠনের জোট কপিরাইট সুরক্ষার নামে হয়রানি হচ্ছে।

রিপোর্টার: / ৪২৯ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০

বিনোদন ডেস্কঃ কপিরাইট সুরক্ষার নামে সম্প্রতি দেশের সংগীতশিল্পী, মিউজিক কোম্পানি, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও সার্ভিস প্রোভাইডারদের হয়রানি করা হচ্ছে। এই দাবি নিয়ে প্রতিবাদ জানালো সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠন।সেগুলো হলো বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন (বামবা), মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইবি) ও বাংলাদেশ ফিল্ম প্রোডিউসার্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটর্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফপিডিএ)।তিন সংগঠনের উদ্যোগে আজ ৬ আগস্ট দুপুর ১২টায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয় যৌথ সংবাদ সম্মেলন। সেখানেই অভিযুক্ত এক আইনজীবী ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।এখন থেকে একযোগে এই তিন সংগঠন কাজ করবে বলেও জানানো হয়।আইনজীবী ওলোরা আফরিন ও তার প্রতিষ্ঠান এলসিএসসিএফ’র করা মামলায় ক’দিন আগে একজন ব্যান্ড তারকাকে জেলে যেতে হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। বামবা সভাপতি হামিন আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাইলসের ৪০ বছর হয়েছে। এভাবে আরো যারা আছেন তাদের ক্যারিয়ারও অনেক বছরের। কিন্তু হঠাৎ বহিরাগতদের কারণে আমাদের হয়রানি হতে হচ্ছে। এমনকি জেলে পর্যন্ত যেতে হলো একজন মিউজিশিয়ানকে। এখন কি তাহলে আমরা জেলে যাব নাকি মিউজিক ছেড়ে দেব?’সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আইনজীবী ওলোরা আফরিনের ‘লাইসেন্সিং অ্যান্ড কালেক্টিং সোসাইটি ফর সিনেমাটোগ্রাফ ফিল্ম’ নামের প্রতিষ্ঠানটি কপিরাইট দেখার অনুমতি (সিএমও) নিয়েছে। তিনি কপিরাইট প্রশ্নে নানা ধরনের মামলা ও নোটিশ পাঠিয়ে যাচ্ছেন। অথচ এই প্রতিষ্ঠানে সিনেমাসংশ্লিষ্ট কেউ নেই। সেই আইনজীবী নিজেও সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নন। তার দেওয়া ‘অবৈধ, অনৈতিক ও অস্বাস্থ্যকর’ প্রস্তাবে কেউ রাজি না হলেই তার বিরুদ্ধে নোটিশ পাঠান সেই আইনজীবী। যার শিকার হন ইউটিউব কনটেন্টের বাংলাদেশ অংশের দেখভাল করা কাইনেটিক নেটওয়ার্কের জুয়েল মোর্শেদ, নাফিস, জামশেদ ও সানজি। এমনকি কারাগারে যেতে হয় জামশেদকে।দ্রুত ওলোরা আফরিন ও তার প্রতিষ্ঠানের সিএমও বাতিল চেয়ে সম্মিলিতভাবে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান বাংলাদেশ ফিল্ম প্রোডিউসার্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফপিডিএ) সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ওলোরা আফরিন ও তার প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সিং অ্যান্ড কালেক্টিং সোসাইটি ফর সিনেমাটোগ্রাফ ফিল্মকে দেওয়া কপিরাইট দেখভালের সিএমও বাতিল চাই। এটাকে বাতিল না করলে আমরা সম্মিলিতভাবে আইনি পদক্ষেপ নেব বলে জানান সংগঠন টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ