• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব: ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ…. বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত, দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের ভিত্তিতেই বিচার হবে: শামা ওবায়েদ গুমের শিকার পরিবারকে সহায়তার দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ফখরুলের তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১

পানির সংকট ব্যবহারযোগ্য শেবাচিম হাসপাতালে।

রিপোর্টার: / ৪৮৯ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

মোঃ জালাল বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ব্যবহারযোগ্য পানির সংকট চলছে। যা সরবরাহ করা হচ্ছে, তাও ময়লা ও ঘোলা পানি বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। তাছাড়া, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, পানি না থাকায় টয়লেট, বাথরুম, থালাবাসন ও কাপড় ধোয়া, গোসলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। বিকল্প হিসেবে বাধ্য হয়ে বাইরের টিউবয়েল থেকে বা বোতলজাত পানি কিনে সাময়িক সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছেন তারা।

১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে এ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকতেন প্রায় ২ হাজার রোগী।প্রাদুর্ভাবের শুরুতে রোগী কিছুটা কমলেও এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।সবশেষ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালের হিসাব অনুযায়ী, হাসপাতালে ১ হাজার ২৮৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। আর এসব রোগীর সঙ্গে ২-৪ জন স্বজন রয়েছেন। এছাড়া প্রতি শিফটে হাসপাতালে প্রায় পাঁচশ’ চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারী কাজ করেন। অথচ রোগী, স্বজন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারযোগ্য পানি সরবরাহ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।রোগীরা জানান, টয়লেট-বাথরুমে পানি ব্যবহার করতে না পেরে অনেকেই বেকায়দায় পড়েছেন। এ কারণে টয়লেট-বাথরুম থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে ওয়ার্ডে। রোগীদের কাপড় ধোয়া নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন তারা। চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীরাও পানির সংকটে চরম বেকায়দায়।এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। এ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ