Array পানির সংকট ব্যবহারযোগ্য শেবাচিম হাসপাতালে। পানির সংকট ব্যবহারযোগ্য শেবাচিম হাসপাতালে। – Daily Crime Bangla
  • মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
টিকাটুলীতে সিএনজি চাপায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডিটেকটিভ সার্জেন্ট নিহত, ওয়ারী থানায় মামলা,,, তিন দশকের অপেক্ষার অবসান: পটুয়াখালী–৪ আসনে ধানের শীষের জোয়ার,,,, কালীগঞ্জে নির্বাচনী অফিস দখল ঘিরে সংঘর্ষ, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৮ সমর্থক আহত,,, কুয়াকাটায় হোটেলে আটকে মোটরসাইকেল চালক নির্যাতন: এক মাসেও মামলা নয়, সংকটাপন্ন সাব্বির,,,,, বিজয় মিছিল নয়, খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাতে দোয়া মিলাদে পটুয়াখালী-৪’র নবনির্বাচিত এমপি,,, ঢাকা-৮ এ ধানের শীষের জয়: ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস,,,, ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি: ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনসিপির,,,, শান্তিপূর্ণ ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,,

পানির সংকট ব্যবহারযোগ্য শেবাচিম হাসপাতালে।

রিপোর্টার: / ৪৮৩ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

মোঃ জালাল বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ব্যবহারযোগ্য পানির সংকট চলছে। যা সরবরাহ করা হচ্ছে, তাও ময়লা ও ঘোলা পানি বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। তাছাড়া, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, পানি না থাকায় টয়লেট, বাথরুম, থালাবাসন ও কাপড় ধোয়া, গোসলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। বিকল্প হিসেবে বাধ্য হয়ে বাইরের টিউবয়েল থেকে বা বোতলজাত পানি কিনে সাময়িক সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছেন তারা।

১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে এ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকতেন প্রায় ২ হাজার রোগী।প্রাদুর্ভাবের শুরুতে রোগী কিছুটা কমলেও এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।সবশেষ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালের হিসাব অনুযায়ী, হাসপাতালে ১ হাজার ২৮৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। আর এসব রোগীর সঙ্গে ২-৪ জন স্বজন রয়েছেন। এছাড়া প্রতি শিফটে হাসপাতালে প্রায় পাঁচশ’ চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারী কাজ করেন। অথচ রোগী, স্বজন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারযোগ্য পানি সরবরাহ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।রোগীরা জানান, টয়লেট-বাথরুমে পানি ব্যবহার করতে না পেরে অনেকেই বেকায়দায় পড়েছেন। এ কারণে টয়লেট-বাথরুম থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে ওয়ার্ডে। রোগীদের কাপড় ধোয়া নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন তারা। চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীরাও পানির সংকটে চরম বেকায়দায়।এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। এ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ